Blog

চিড়িয়াখানা

চিড়িয়াখানা=বাঘেরে খুব জব্দ করেছি,কাল স্বপ্ন দেখেছি রাতে;চিড়িয়াখানা দেখতে যাচ্ছিআজ দাদুকে নিয়ে সাথে।ভয় কি বাঘ সিংহেআছে খাঁচা ঘেরা,হনু বানর তো গাছেই থাকেকি করবে তারা? বনমানুষ,শিম্পাঞ্জি ও মানুষে,কি তফাৎ আছে?হাতে হাত মেলাবো,কলা আছে কাছে।হরিন, জিরাফ, গন্ডার ,ভালুক ,সাপআর যত পশুপাখি,কাউকে ভয় নেই,সাহসে ভরসা রাখি।দাদু সঙ্গে আছে যখনআর কিসের ভয়?সত্যি কথা বলছিএসব স্বপ্ন নয়।বনমানুষে দেবো কলাশেষে ধরি বায়না,বিপদ সেখানে লুকিয়ে, ছিল না কারো জানা ।বাম হাতে কলা রেখেবাড়িয়ে দিলাম ডানহাত,করমর্দন করলো বনমানুষ,কব্জি ভাঙলো হলাম কুপোকাত।আমি এক খচ্চড়,দাদুর জানা ছিল না;দাদুর

Blog

খুঁজে বেড়াই

খুঁজে বেড়াই= যন্ত্রনা যখন শুরু হয় বুকে মন কেন কষ্ট পায় কষ্ট কি হয়না শরীরের বুক তো শরীরেই থাকে যত আঘাত আসে আসুক তবু শরীর বুক বেঁধে রাখে কেউ বা আঘাত দিয়ে মন নিয়ে সন্তর্পনে সরে যায় আমি তোমার তুমি আমার কে কার মাটি নীরব থাকে সূর্যকে আড়াল করে বারিঝরায় মেঘ যখন যন্ত্রণা কি হয় না নীল আকাশের বুক ফাটে না তখন বেশ আছি যন্ত্রণা সয়ে ভাবনার পরশ গায়ে মেখে।

Blog

হারজিতের খেলা

হারজিতের খেলা= বহু যুগ কেটে গেছে হারিনি তোমাদের সঙ্গে নিয়ে ভালো খারাপ বলছি না হারিয়ে দিলে সবাই চলে গিয়ে চাই না টাকাকড়ি সোনাদানা রাজ সিংহাসন শুধু শুধরাতে চেয়েছিলাম তোমাদের কলুষিত মন দুষ্ট বা যা কিছু তোমরা ছিলে আমার সম্পদ যেথা খুশী সেথা যাক বিদায় হয়েছে আপদ সেই একই খেলা খেললে অন্যের ঘরে গিয়ে বেশী বলতে মন চায় না তোমাদের নিয়ে আমায় কেউ চিনলে না অন্যের ঘরে গিয়ে নিভিয়ে দিলে আলো চাই না আমার দুষ্ট গরু শূন্য গোয়াল ভালো ফিরতে আর পারবে না আমার দরজা বন্ধ বন্ধ চোখ খুলে দেখ অন্ধকার হয়েছ চির অন্ধ। ----------

Blog

খুব ভালো আছি

আমরা খুব সুখে আছি= আমরা সবাই সুখে আছি মানুষ এখন শান্ত মিথ্যা যত উড়ে বেড়ায় মুখ হয় তত ক্লান্ত মানুষ যখন সত্যি খোঁজে ক্ষুধা তখন মিটে যায় প্রয়োজনের বেশী চাওয়া মিথ্যার ভেতর খুঁজে পায় সত্য অমিল যত কথা আমারে আঘাত করে বশ্যতা মেনে মনপ্রাণ সঁপেছি মিথ্যার দ্বারে মিথ্যা যত সত্যি কথা সবার মুখে শুনি সত্য মরে মিথ্যা শোনায় শান্তির বাণী।

Blog

তোতলা সুভাষিনী

তোতলা সুভাষিনী (শ্রুতি নাটক) (সুভাষ ও সুভাষিনীর সংসার, সুভাষ সবে রিটায়ার করেছে এক ছেলে বাইরে থাকে।সুভাষিনী তোতলা, কথার মাঝখানে কোন কোন শব্দ উচ্চারিত হয় না, মানে আটকে যায়। সকালে বিছানায় বসে চা খাওয়ায় ফাঁকে।)‌ সুভাষ-শরীরের গাঁটে গাঁটে জং ধরেছে। এখন শুয়ে শুয়ে আকাশ দেখা ছাড়া আর উপায় কি?‌ সুভাষিনী -যাও না আকাশের তলায় মাঠে শোওগে। ‌ সুভাষ-কি কি শব্দ বাদ গেল? 'আকাশ' 'মাঠ'- খুব সুন্দর নাম তোমার, সু উউ, ভাষিনী কে রেখেছিল গো তোমার নাম? ‌সু -বাবা রেখেছিল। ‌ সুভাষ- বাবা না মা কিছুই বুঝলাম না। এই বাদ দেওয়া শব্দগুলো বাদ রেখেই তো ৬০ পার করে দিলাম। শুধু