Blog

হারজিতের খেলা

হারজিতের খেলা= বহু যুগ কেটে গেছে হারিনি তোমাদের সঙ্গে নিয়ে ভালো খারাপ বলছি না হারিয়ে দিলে সবাই চলে গিয়ে চাই না টাকাকড়ি সোনাদানা রাজ সিংহাসন শুধু শুধরাতে চেয়েছিলাম তোমাদের কলুষিত মন দুষ্ট বা যা কিছু তোমরা ছিলে আমার সম্পদ যেথা খুশী সেথা যাক বিদায় হয়েছে আপদ সেই একই খেলা খেললে অন্যের ঘরে গিয়ে বেশী বলতে মন চায় না তোমাদের নিয়ে আমায় কেউ চিনলে না অন্যের ঘরে গিয়ে নিভিয়ে দিলে আলো চাই না আমার দুষ্ট গরু শূন্য গোয়াল ভালো ফিরতে আর পারবে না আমার দরজা বন্ধ বন্ধ চোখ খুলে দেখ অন্ধকার হয়েছ চির অন্ধ। ----------

Blog

খুব ভালো আছি

আমরা খুব সুখে আছি= আমরা সবাই সুখে আছি মানুষ এখন শান্ত মিথ্যা যত উড়ে বেড়ায় মুখ হয় তত ক্লান্ত মানুষ যখন সত্যি খোঁজে ক্ষুধা তখন মিটে যায় প্রয়োজনের বেশী চাওয়া মিথ্যার ভেতর খুঁজে পায় সত্য অমিল যত কথা আমারে আঘাত করে বশ্যতা মেনে মনপ্রাণ সঁপেছি মিথ্যার দ্বারে মিথ্যা যত সত্যি কথা সবার মুখে শুনি সত্য মরে মিথ্যা শোনায় শান্তির বাণী।

Blog

তোতলা সুভাষিনী

তোতলা সুভাষিনী (শ্রুতি নাটক) (সুভাষ ও সুভাষিনীর সংসার, সুভাষ সবে রিটায়ার করেছে এক ছেলে বাইরে থাকে।সুভাষিনী তোতলা, কথার মাঝখানে কোন কোন শব্দ উচ্চারিত হয় না, মানে আটকে যায়। সকালে বিছানায় বসে চা খাওয়ায় ফাঁকে।)‌ সুভাষ-শরীরের গাঁটে গাঁটে জং ধরেছে। এখন শুয়ে শুয়ে আকাশ দেখা ছাড়া আর উপায় কি?‌ সুভাষিনী -যাও না আকাশের তলায় মাঠে শোওগে। ‌ সুভাষ-কি কি শব্দ বাদ গেল? 'আকাশ' 'মাঠ'- খুব সুন্দর নাম তোমার, সু উউ, ভাষিনী কে রেখেছিল গো তোমার নাম? ‌সু -বাবা রেখেছিল। ‌ সুভাষ- বাবা না মা কিছুই বুঝলাম না। এই বাদ দেওয়া শব্দগুলো বাদ রেখেই তো ৬০ পার করে দিলাম। শুধু

Blog

নকল সোনা (শ্রুতি নাটক)

নকল সোনা (শ্রুতি নাটক)সোনালী-(ঘর থেকে) ওগো শুনছো, কে এসেছে দেখ।অশোক-(বাথরুম থেকে) এসময় কে আবার আসবে?স-কেন সময়টা খারাপ কিসের? সময়ের দোষ কি?অ-(বাথরুমে জল পড়ার শব্দ কাছে এসে গলা সারিয়ে) কই ? কোথায়? কাউকে তো দেখছি না!স- কিছু দেখতে পাচ্ছ না?অ-তোমাকে দেখছি; রোজই তো দেখি; পায়খানাটা ঠিক মত সারতে দিলে না। স-এই অসময়ে পায়খানা! আজ সন্ধেটা এক্কেবারে মাটি করে দিলে!অ-তা কেন - মাটিই তো সোনা, সোনালী রয়, সোনাই মাটি।স -আমার নাম নিয়ে মশকরা!অ- তা নয়,ধর যেমন- সোনা রোদ আবার স্বর্নালী সন্ধ্যা।স- তোমার শুধু ভাবের কথা । আসল সোনা তোমার চোখে দেখা যায় না।অ-কেন যাবে না। তুমি আমার সোনা।

Blog

ব্যাংক জাতীয়করণ

ব্যাংক জাতীয়করণভারতে ব্যাংক জাতীয়করণকে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর গৃহীত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা হয়।প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা ছিল সুদূর প্রসারী১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত ভারতে ব্যাংকিং পরিষেবা মূলত শহরাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল, যার ফলে গ্রামীণ ও আধা-শহুরে অঞ্চলগুলো এ ধরনের পরিষেবা থেকে অনেকাংশেই বঞ্চিত ছিল।এর ফলে কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প এবং কর্মসংস্থানের মতো খাতগুলোর জন্য ব্যাংকিং ও ঋণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছিল।ফলে এমন একটি ধারণার সৃষ্টি হয় যে, বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেবল মুনাফা-কেন্দ্রিক এবং সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ নয়; কারণ অধিক ব্যয়ের আশঙ্কায় তারা ঋণ প্রদ