সুনীল সবুজ
মনের কথাকাঁদতে পারিনা তবু কেননয়নে অশ্রু ঝরেদুঃখ আমার নেই কোনতবু হৃদয় কেমন করেশরীর হয়েছে অবশ অচলবৃদ্ধ হয়েছি দুজনএখনো উড়ে চলেছে বশে নেইমোদের অবুঝ মনপিতামাতা ছিলাম আগেসে কথা মন ভালো জানেঅহরহ খুঁজে বেড়ায় খোঁচা দেয়তাদের রেখেছ কোনখানেঅবুঝে বোঝাই কতসন্তান আছে পরবাসেফোনে কথা বলে খবর নেয়তারা কত ভালোবাসেতাদের সংসার তাদের সন্তানেরতারা পিতামাতাএখন আমরা বুড়ো হয়েছিছিঁড়ে গেছে ওদের মাথার ছাতাদেহ এখন মূল্যহীনতাই অশ্রু ঝরাইবাঁচাটাই অপরাধআমরা কারো পিতামাতা নই।🪴🪴🪴
মনে পড়ে সেই' বাঞ্ছারামের বাগান ' চার বন্ধু প্রথম কলি পত্রিকার জন্য পাগল ছিলাম। বরেন মান্না,বীরেন প্রধান , কালিপদ মাইতি ও আমি। ১৯৭৭ সালে আমি রামরাজাতলায় থাকতাম। কালিপদ তখন রেলে চাকরি করতো। রামরাজাতলায় থাকতো। কালিপদর বাড়ি আমাদের পাশের গ্রামে। আমি তখন কলকাতায় একটি চ্যাটার্ড একাউন্টেন্ট ফার্মে কাজ করতাম। আমার তখন নাটক লেখার অদম্য ইচ্ছা। শ্রুতি নাটক তখন বেতার নাটক হিসেবেই কল্পনা করে লিখতে হতো। ১৯৭৯ সালে বেতার ঘোষক ক্ষৌনীশ বাগচীর বাড়ি ছিল রামরাজাতলায় । সৌভাগ্য বশতঃ তাঁর দয়ায় জগন্নাথ বসুর কাছে আমার বেতার নাটকে হাতেখড়ি। কালিপদর বাবা ও আমার বাবা কলকাতায় চাকরি করার সম
ছত্তিশগড়ের পথে -১ আজ থেকে সতেরো বছর আগে ঘটেছিল এক ঘটনা যা এখনও আমার মনকে উদ্বেলিত করে। আমার তিন মেয়ে সোনা রুপা দীপা। আমার পাশের গ্রামের এক বন্ধুর ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলাম মেজো মেয়ে রূপালী কে। বন্ধু চাকরি সূত্রে ছত্তিসগড়ের কোরবায় থাকতো। সাউথ ইষ্টার্ন কোল লিমিটেডের ডাম্পার অপারেটর ছিল সে। এস ই সি এল এর কোয়ার্টারে থাকতো তার পরিবারকে নিয়ে। আমার জামাই ওখানকার লায়ন্স হাইস্কুলের ইংলিশের শিক্ষক। বিয়ের পরে প্রতি বছরই কোরবা যাতায়াত চলছে। সাড়ে সাতসো কিলোমিটার যাত্রা পথ কখনো ট্রেন কখনো নিজের কারে। ওড়িশা ছত্তিসগড়ের রাস্তার মনোহারিণী দৃশ্য দেখতে দেখতে যাত