Blog

পোষা বাঘ

পোষা বাঘ=একটা বাঘ পুষেছি,রোজ খায় মুরগীমাঝে মধ্যে ছাগল;দেশময় ঘুরে বেড়ায়,মানুষ দেখলে লুকিয়ে পড়ে,সবাই বলে আমি নাকি পাগল । মানুষের রক্ত টক ঝাল মিষ্টিস্বাদ লাগেনি মুখে ,পোষা বাঘে ভরসাসবার দিন কাটে সুখে । হঠাৎ একদিন খাঁচায় শুয়েনখে মুখে রক্তের দাগ,বধির নয় মুক বটে চেপে যাই,কার উপর এত রাগ ! পার্টির নেতা গুলিবিদ্ধ,আমার নামে পুলিশ -এফ আই আর করে,বাঘ পোষার অপরাধ দন্ডনীয়,ধারা লাগু, বিচার হবে,জনতার দরবারে । জনতার রোষ ছড়িয়ে পড়েসারা দেশময়,গদিচ্যুত হলাম আমি,সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হলো,জনতার হলো জয় । আদালতের বিচারেতথ্য প্রমাণ লোপাটআমিই করেছি;হুকুম তামিল করেছে সে,পোষ

Blog

এ কেমন ধারা

=এ কেমন ধারা= গুন্ডা তৈরী করলো যারা তারাই আনে গুন্ডা দমন আইন করবো খুন ধরবো খুনী হবে সাধুর ফাইন আজব দেশের আজব মানুষ আসল চোর সাধু সাজে ওলোট পালোট এই সংসারে মন বসে না কোনো কাজে ধরি মাছ না ছুঁই পানি প্রবাদটি সবার আছে জানা রক্ত চাপ বাড়ছে না আমরা সবাই রাত কানা মুখে কুলুপ আম জনতার যে যার নিজেরটাই ভাবছে রাজনীতির অলিন্দে বসে নেতা মন্ত্রী লুটেপুটে খাচ্ছে কারে বলি কে বা শোনে কিছুই নাই বলার টাকা মাটি মাটি টাকা মাটি ভর্তি কোষাগার।।

Blog

তৃপ্তি মিত্রের জন্ম শতবর্ষ

।। প্রয়াত তৃপ্তি মিত্রের জন্ম শতবর্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন।।সুধাংশু রাউৎবছর বছর একশো বছর। জীবিত অবস্থায় সেঞ্চুরি পার করে ক'জন?  মহামানব বা মহামানবীরা একশো বছরের অনেক আগেই পৃথিবীর সব মায়া কাটিয়ে স্বর্গারোহন করেন। জন্ম শতবর্ষে এমন একজনকে স্মরন করবো সেই মহামানবী তৃপ্তি মিত্র।নাট্য জগতে পদ্মশ্রী পাওয়ার সময়টা সম্ভবত ১৯৭১ সাল। ১৯৭২ এ গ্রাম থেকে শহরে প্রথম কলকাতায় পা রেখেছি বয়স মাত্র পঁচিশ। রেডিও তে নাটক শোনা ও লেখায় পটু বলবো না আগ্রহের সীমা পরিসীমা ছিল না। নাট্যকার হতেই হবে তা আবার বেতার নাটকে। রঙ্গমঞ্চের নাটকের সঙ্গে বেতার নাটকের তফাৎটা ছিল কান আর চোখ। বেতার নাটকের আর এ

Blog

ভালোবাসার টানে

=ভালোবাসার টানে=কে আগে যাবে সরে, আগে পরে, তুমি না আমি?আমি আগে যাবো চলে পরে যাবে তুমি। একটু থেমে সে বলে,- সে আগে পরে আমি।হৃদয়ে ঝড় উঠেছে কেমনে থামাবে তুমি!বুকের ভেতর কেমন করে আর বাঁচার ইচ্ছা নেই,সাথী হারা হবে তুমি সব শেষ এখানেই।বউর কথা শুনে হার্টের প্রেসার যাচ্ছে বেড়ে ,কে জানে কত সময় কখন জীবন নেবে কেড়ে;কে আগে কে পরে দুজনের জীবন কেটে যায়,মানুষই ফুল দেবে আমাদের আত্মার শান্তি কামনায়।

Blog

আঁধারের দিনগুলি(ফরাসি সনেট)

(ফরাসি সনেট) যাচ্ছে চলে আঁধারের  দিন গুলি মোর;বয়ে আনে ঝড়ের করুন অশ্রুজল;প্রকৃতির নির্মমতা আমি যে পাগল;কাহিল হচ্ছে দেহ শরীরে নাই জোর। থামবেনা কি ঝড় আকাশ ঘনঘোর;মরুভূমি ভালো সেথা নেই অশ্রুজল;সুখের অসুখ যেন এই কর্মফল;ভাবের ঘরে বাজ, হবে কি কাল ভোর ! প্রিয়জন খোলো মন আঁধার সরাও,শতপদ্মে করি পূজা প্রেমটুকু দাও। দুঃখ হরিতে তাই করি তব স্মরণ,হৃদয়ে আলো জ্বালো, আঁধার দূর কর;যন্ত্রণা সইতে নারি, অসহ্য জীবনসখা কেন থাক দূরে?  হাতখানি ধর।।