Blog

সত্যজিৎ রায় স্মরণে

কাঁথির তীরভূমি পত্রিকায় 'পথে প্রান্তরে' সুদীপ মাইতির লেখা।সত্যজিৎ রায়ের 'প্রতিদ্বন্দ্বী' চলচ্চিত্রে কাঁথির জয়গুরু হোটেলে শুটিং । সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে তাঁর বাড়িতে হাজির হয়ে তাঁর ছেলে সন্দীপ রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকার। অভাবনীয় এক অজানা তথ্যের দ্বার উন্মোচন করলো।এই প্রসঙ্গে আমার কিছু স্মৃতি মনে পড়ছে।সত্যজিৎ রায় কৃত রাজশেখর বসুর (পরশুরাম) গল্প অবলম্বনে ১৯৫৮ সালে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় 'পরশ পাথর' নামে একটি বিখ্যাত বাংলা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র মুক্তি পায়।এই সিনেমায় একটি বাচ্চা পল্টুর চরিত্রে অভিনয় করেছিল আমার কলিগ বন্ধু মানস সান্যাল তার বয়স তখন চার ।বন্ধু এখন বেঁচ

Blog

মন মর্মর

মন মর্মর § আমি একটা সিদ্ধান্ত হঠাৎ নিয়ে নিলাম অনিচ্ছা জন্ম নিল কাজ করার ইচ্ছাকে মেরে অকাজে কুকাজে মানুষ মেতেছে আজ করবোনা কোন কাজ খিটখিটে হচ্ছে মেজাজ হিসেব নিকেষ করবোনা কি পেলাম বেড়াল টা মিউ মিউ করে ঘুরে ফেরে আমার চারিধারে ক্ষিদে পেয়েছে বুঝি কি করার আছে আমার অনিচ্ছা কাজে জটিলতা শীরায় শীরায় ত্যাগ করেছি যারে রাত জাগা পাখি উড়ে গেল মাথার উপরে একখানা স্বপ্ন ফেলে এলোমেলো খেলা খেলে শূন্য হাঁড়ি কলসী ভাসে জলে কুকুরের ঘেউ ঘেউ শত্রু মিত্র বোঝেনা হয়েছে বিষবৃক্ষ যে গাছটি রোপন করে ছিলাম।।

Blog

সাহিত্য মন্দিরের সভায়

২৪/৪/২৬ সাহিত্য মন্দিরের সভায়:-সাহিত্য মন্দির পরিবারের সবাইকে আমার নমস্কার।এখানে যা বলবো মিথ্যা বলবো। আমার অন্তর থেকে কোনো সত্য মুখে আসেনা। অন্তরের সঙ্গে মুখের বিরোধ - এটা ইদানিং শুরু হয়েছে,এর মূল কারণ পারিপার্শ্বিক এই সমাজের পরিবর্তন। উত্থান কি পতন বলতে পারবো না। মানুষ এখন মনের আসল কথা বলে না। তাই আমার কথা স্রোতের ন্যায় একই পথে চলছে। আপনারা যে যাই ভাবুন না কেন আমি মিথ্যে বলছি। মিথ্যে কথা আর বাড়াবো না।জানেন দস্যু রত্নাকর এক যুগ তপস্যা করে উই ঢিবি থেকে হয়েছিলেন বাল্মীকি মুনি। রামায়ণ লিখেছিলেন রাম জন্মের আগে। আমি জানি না, আপনারা জানেন হয়তো- রামায়ণ সত্য না মিথ্যা?আমার

Blog

পাপ পুণ্যের বেসাতি

পাপ পুণ্যের বেসাতি ∆পাপ করা সহজ আবার ধুয়ে মুছে ফেলা যায়পূন্য অর্জন করতে জীব নর্দমার নোংরা জল খায়এরা কারা নেড়া মাথা কালা পট্টি বাঁধা দুচোখ বন্ধগোবর শুকিয়ে ঘুঁটে হয়েছে তাতেই তাদের আনন্দমাটির ঢেলার আকার আছে নিরাকারেও অন্ধ বিশ্বাসচেতনাহীনে ধোঁকাবাজি তারা করছে সবার সর্বনাশমগজের চাবিতে জংগ ধরেছে তালা ভেঙ্গে দেখিথরে থরে ঘুঁটে সাজানো মহাশ্মশান একি!