Blog

আমাদের শপথ (সুকান্ত স্মরণে)

      সুকান্ত ভট্টাচার্যজন্ম শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি এই মহতী সুকান্ত জন্ম শতবর্ষের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সম্মানীয় ব্যাক্তিবর্গকে আমার প্রনাম। প্রনাম জানাই সেই তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে।কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই। তাঁর মৃত্যুর পাঁচ বছর পরে আমার জন্ম । আমার অক্ষর জ্ঞান হওয়ার পরে অনুষ্ঠানে যতটুকু পড়েছি বা জেনেছি তার সামান্য কিছু তথ্য সংগ্রহ করে এখানে লিখেছি। ভুল ত্রুটি মার্জনা করবেন।একটি কবিতার লাইন যা আমাকে ২৫ বছর বয়সে উদ্বুদ্ধ করেছিল-রানার-রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতে রানার চলেছে, খবরের বোঝা হাতে, রানা

Blog

ভবের খেলা

=ভবের খেলা=এই জগতের মাঝখানেআমরা এখন কোনখানেআছি সবাই এই দেশেবন জঙ্গলে ছদ্মবেশেএই সাবধান সামনে পাহাড়এক কদম বাহাদুরি বেড়োনা অতি বাড়বাঁয়ে সমুদ্র ডাঁয়ে জঙ্গলউপরে দেখ আকাশে ঝুলছে কর্মফলপেছনে সুনামি লুকিয়ে আছেগিরিখাদ ডাকছে কাছেজীবন খেলা খেলছে কপালসূর্য উঠবে হবে না সকালসূর্য ওঠে সাগরে ডুবে যায়ঠান্ডা কিরন কেউ কি দেখতে পায়খোলা আকাশ প্রান্তর শেষেমন চলে হাওয়ায় ভেসেওরে বোকা ওরে অন্ধসম্মুখে দরজা বন্ধদুদিন পরে অজানা পথে যেতে হবেআর কি বাকি খেলা ভবে ।।

Blog

মান ও হুঁশ

স্বপ্নমায়া -শনিবারে ছড়া, ১/১১ মান ও হুঁশ শরম নেই যার তারে বেশরম কয় মান নেই যার তার হুঁশ কি করে হয় গাছে ডালে পাতায় মান খুঁজে ফেরে সে স্বর্গে যাওয়ার সিঁড়ি খোঁজে সাপ লুডোতে জিভের ডগায় তেতোকে মিথ্যে মিষ্টি বলে গলায় সুর চড়িয়ে রাতদিন অন্ধকার পথে চলে সন্দেশের বহর ভারি রোজ খবর হওয়া চাই সন্দেশে ও দেশ আছে কেবল মানুষ নাই আজব দেশের আজব জীব ধরি মাছ না ছুঁই পানি বস্ত্র নাই যার কিভাবে আঁচল ধরে টানি নুন আনতে পান্তা ফুরোয় এইতো বেশ আছি খুশ মান-হুঁশ নাইবা থাক তবুও মোরা রক্ত মাংসের মানুষ।।

Blog

অবুঝ শিশুমন

অবুঝ শিশুমনএকটা মোবাইল লাগবে তার জন্ম থেকে আঠারস্মার্ট হবে টেডীবয় জন্ম থেকে বারহাঁটা চলা শিখছে না খাচ্ছে না মোবাইল ফোন ছাড়াকথা শেখার আগেই গুনে দশগুন বাড়াদেয়াল ধরে উঠে দাঁড়ায় যেন বীর বাহাদুরমোবাইল না দিলে থামেনা তার কান্নার সুরমায়ের আদর ভিডিও না দেখালে খায়না বেবী আমারপিতা ভাবে কি করি গেরিলা কাঁচ ভেঙ্গে চুরমারযুগের  আলোয় খুশীতে ডগমগ সন্তানের মাতাস্মার্ট গৌরবে গৌরবান্বিত স্নেহান্ধ শিশুর পিতাবছর পার হতেই শিশুর মুখে এলো ভাষাইতিহাস মিথ্যা করে শিশু ধরলো মোবাইল নেশাবহু কষ্ট বহু দুঃখ পিতা মাতার আর সওয়া যায় নাতবুও সুখের সংসারে আলো দেয় স্মার্ট শিশুর হাসি কান্নাসুসময় সুদিন

Blog

গ্লোবাল ওয়ার্মিং

🔥গ্লোবাল ওয়ারমিং💫জল ও স্থল দুয়ে মিলে পৃথিবী। তিন ভাগ জল এক ভাগ স্থল। এক ভাগ স্থল যার নাকি কিছু অংশ সমুদ্রের ভেতরেই ছিল শতাব্দীর পর শতাব্দী অতিবাহিত হওয়ার পর জল সূর্যের তাপে বাষ্পিভূত হয়ে আকাশে মেঘরুপে অবস্থান করছে। তাই উদ্ভুত বালুচর সমুদ্র কোলে জেগে উঠে স্থলভাগকে বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির নিয়মে সেই মেঘরুপী জল আবার কোথাও বরফ আবার কোথাও জল হয়ে সমুদ্রে জমা হচ্ছে। হরে দরে সমুদ্রপৃষ্ঠের জলতল একই লেবেলে থাকার কথা। পৃথিবীতে এই প্রকৃতির খেলায় কিছু বিজ্ঞানী বা ভুতত্ববীদ মনে করেন সমুদ্রের জল আস্তে আস্তে বাড়ছে। এর একটি বড় কারন নাকি আন্টারটিকার বরফ গলা।সূর্যের তাপ নাকি ধীরে ধী