Blog

ভ্রমন পিপাসু মনের মানুষ

ভ্রমণ পিপাসু মনের মানুষরা বোধ হয় বেশিদিন বাঁচে। আমরা সবাই জানি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য গ্রহণকারী মানুষ কে ক্লেদ গ্লানি হতাশা কোন উপসর্গ কোনোদিনই ছুঁতে পারে না।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি মহকুমার লোক আমি। এই জেলার দেখা অদেখা পর্যটন কেন্দ্রগুলি সম্পর্কে ঠিক ঠিক করে না জানালে অতুক্তি হবে। ভ্রমণ আড্ডার বিপ্লব বসুর ফোন পেয়ে চলে গেলাম তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে সঠিক তথ্য সংগ্রহের ইচ্ছা নিয়ে।তমলুক পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্যতম জেলা শহর। এই তমলুকের ঐতিহাসিক নাম তাম্রলিপ্ত। অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলাকে ২০০২ সালে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব মেদিনীপুর।এই জেলার আয়তন ৪২৯৫ ব

Blog

এ কেমন রাজনীতি

"নোংরা রাজনীতি "রাজনীতি কারো একার নয়দল আমাদের সবারআমার আমার করছে যারাপথ পাবে না যাবারঠাকুর আমায় জয় দাওতুমি ভগবান রামআমি ঠাকুর টাকুর মানি নাতাই আমরা বামআমার জনগণ তাদের সেবায়দিয়েছি মন প্রানতাইতো মানুষ প্রাণ খুলেকরছে আমার জয়গানসব বেকারের চাকরী দিয়েকরবো আমার চাকরসরকারী কোষাগার শূন্য হোকবাড়ুক বেসরকারী কদরদলের আবার ধর্ম কিঝান্ডা হাতে রাম রাম বলেজেতালেই চাকরী হবেনাকি সবুরে মেওয়া ফলে"ধর্মের নামে মোহ এসে যারে ধরেঅন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে"এ ঠাকুর সেই ঠাকুরভাব একবার মনেবোকা বানিয়ে কতদিন আররাখবে জনগণেশিক্ষা দীক্ষা মানুষেরকিছুই নাই ধরতাই বলে কি কোষাগার থেকেগরীবের পয়সা চুরি

Blog

কপালকুন্ডলা/Kapalkundala

কপালকুণ্ডলা🍀একশ সোত্তর বছর আগে কাঁথির কথাবঙ্কিমচন্দ্রের গল্প গাথাকাঁথি থেকে চব্বিশ মাইল সরলরেখাঅসীম সাগর মাঝে সাগর দ্বীপের অন্তিম রেখা যাচ্ছে দেখারসলপুর ঘাট থেকে লঞ্চে করেযাই গঙ্গা সাগরেসেখানে মানুষ কেমন থাকে ভাবে বেচারা ভবঘুরেযুবক ছেলে বুকে অসীম সাহস তারব্যবসা বাণিজ্যে সাগর পাড়িসাগর সঙ্গমে নবকুমারএকদিন সাগর থেকে ফেরার পথেসঙ্গীরা ছিল সাথেরসুলপুরের পশ্চিম ঘাটেসূর্য যখন যাচ্ছে পাটেবজরা বেঁধে নদীর পাড়েরান্নার কাঠ আনতে ঝোপঝাড়েযায় হারিয়ে গহন বনেদেরী দেখে বন্ধুগণেযায় ভেগে সন্তর্পণেকাপালিক এক ধরে তারেমায়ের চরনে বলির তরেশ্মশান মশান বাসস্থানওষ্ঠাগত জীবন প্রানঘর নাই সংসার নাই

Blog

কুসংস্কার

নিজের ভুলে হলে বিপদবিপদকে ডেকে আনাবিপদে মোরে রক্ষা করএ নহে মোর প্রার্থনাবিপদ রুখতে সদাচোখ কান খোলা রাখতে হবেভক্তি শ্রদ্ধা থাকলে মনেবিপদ থেকে রক্ষা পাবেমা বিপত্তারিণী মূর্তি পূজাঅতি ভক্তি চোরের লক্ষণগর্ভে ধরেছে সেই আসল মাতারে পূজ সর্বক্ষণফুল বেলপাতা অঞ্জলিযতই দাও মূর্তির পায়েনিজের মা কষ্টে কাঁদেরাতদিন বিছানায় শুয়েদুই ভাই বজ্জাত ভারিমাকে পর করেমা বিপত্তারিণীর মূর্তি পূজাকরে আড়ম্বরেঅন্ধ আবেগে দুই ভাইজীবন দিল গো মাআসল মায়ে ভর করকরে দিও ক্ষমাবিপদ থেকে উদ্ধার করামূর্তির কি ক্ষমতা আছেদুভাইর জীবন গেলগাড়ির চাকার নীচেযারা নিজের মাকে বাদ দিয়েমূর্তি পূজা করেসুখ শান্তি থাকে না ঘ

Blog

চরিত্র

"চরিত্র"গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়লআমার গুনধর দাদাডিগ্রী অনেক বাচস্পতি মহান নেতামনটা নোংরা কাদাগরীব মানুষের পাশে থাকেনজল গলে না হাতেচরিত্রবান দাবী করেনকেউ পারেনি চরিত্রে কালি দিতেকলঙ্কের কালি নিজে মাখেকানাকানিতে তাঁর কি যায় আসেবধির কান কাটলে কিপাণীতে বুঁদ রাতে ভাসে প্রেমরসেদাদা হলেও বন্ধু আমারপ্রকাশ করতে না পারিজনগণের নেতা বলেন তিনিআছে মুখের জারিজুরিজ্ঞানীগুণী বক্তা ভালোকথায় হারাতে না পারিতবুও মুখে বলি তারেএসব কী হচ্ছেতোমার নামে কেচ্ছা কাহিনীঅনেক শোনা যাচ্ছেকথা ঘুরিয়ে বলেন তিনিচরিত্র আবার কিখায় না মাথায় দেয়ওসব পরিষ্কার রেখেছিদান ধ্যান ত্যাগ যতই করকলঙ্ক মুছে ফেলার নয়লাথ