Blog

কৃষ্ণকলি

(আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে) কৃষ্ণকলি=কিশোর কিশোরী কৃষ্ণকলি খুব প্রিয় তারা ,রাতটা যে যার ঘরে, সারাদিন পথে ঘোরা,লেখাপড়া খেলাধুলা, রোজ স্কুল যাওয়া,কাঁধে হাত রেখে গলায় গলায়, কত না কথা কওয়া,যতই বলে হয়না শেষ কথা বলা দুজনার,প্রেম পিরিতির মানে বোঝেনা আড়ি করে মুখ করে ভার।কৃষ্ণ - এয় কলি বলনা তোর কবে হবে বিয়ে?কলি - আমার বিয়ে এই বোশেখে টোপর মাথায় দিয়ে,শ্বশুরবাড়ি অনেক দুর তিন ক্রোশ হেঁটে যেতে হবে,তুই ও সঙ্গে যাবি বাবা মা ও সঙ্গে যাবে।আকাশ থেকে পড়ে কৃষ্ণ এ কি শোনালো কলি,এই বোধহয় প্রথম মায়ের পায়ে হবে নরবলি!কৃষ্ণ -তুই কি আর আসবি না একেবারেই যাবি চলে?মনে কি তোর থাক

Blog

সময় অনেক কম

সময় অনেক কম=তুমি বলেছিলে সব ছেড়ে চলে আসবেপিছু টান ছিঁড়েছিঁড়তে পারনি বোধ হয়ভাবতে সময় নিলেনা কেনজন্মালে মরতে হবে ভাবনিদূর্যোগ  হতে পারে কোনদিন ভীড়েবলেছিলাম মাঝের সময়হেলায় হারিয়ো না যেন চলতে চলতে পথে পথ সরে যায় নাহয়তো বেঁকে যেতে পারেতা যদি হয়ে থাকে সময় দাঁড়াবে নাভুলের মাশুল দিতেতোমার বাঁকা পথের ঠিকানাকেউ কি খুঁজে পেতে পারেতুমিই পার প্রতিদিনের আলোয়তোমার পথ খুঁজে নিতে তুমি কে তুমি কোথায় আমি আমাকেই চিনিনা খুঁজি কোন পথে আরেক জীবনে যদি দেখা হয়হয়তো পারি খুঁজে নিতেসময় অনেক কম জীবনের একটি ভুলকরেছ সময় নষ্টছেঁড়া কি যায় কভু সে বন্ধনচাওয়া পাওয়ার স

Blog

মুখের বচন

মুখের বচন=ধরি মাছ না ছুঁই পানি এ কথার অর্থ ভালো ভাবেই জানিরাঙাবো রাঙবোনা চোরে চোরে মাসতুতো ভাই গোপাল খেয়েছে ননীদুনিয়াটাই গোলকধাঁধা আজব মানুষ কথা খায়তাল থেকে তিল না হয়ে তিলকে তাল করে আনন্দ পায়মানুষ কিন্তু পেঁচা নয় প্যাঁচ কষে জীবন গেলদুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক গুনে ভালোদশের পরে এক জন্মালে হয় বেড়ে এগারোজনএগারোর পিঠের একজন মারা গেলে থাকে মাত্র একজননুন আনতে পান্তা ফুরোয় নুন আনার কি দরকারআদার ব্যাপারীর কি দরকার জাহাজের খবর রাখারহঠাৎ দরজায় টোকা - 'ঠাকুর ঘরে কে?' বলে আমার গিন্নীমাত্র একটি কলা খেয়েছি, বললাম- 'আমি তো কলা খাইনি'।।

Blog

বিরহের হোলি

বিরহের হোলি=হোলির রং গায়ে মেখে সবাই রঙিন বসন্তের আগমনেরাধাকৃষ্ণে রং মাখাবো দোল খেলবো ভাবছি মনে মনেরাধার জন্য রেখেছি সাজিয়ে আবির হলুদ নীল লাল কমলাকৃষ্ণের জন্য নীল বাদ দিয়ে সবুজ ধুসর বেগুনী বেনীআসহকলাকুঞ্জ সাজায় সখীরা কখন আসবে সেই মধুর ক্ষনবাঁশীর সুর ওই শোনা যায় বৃন্দাবনে কাঁপছে কুঞ্জবনচকিতে দখিনা ফাগুন খবর আনে বলে রাধার কানেসাত রঙে রাঙিয়ে সখীরা নীল কৃষ্ণে করেছে সাদা সাধের বৃন্দাবনেকৃষ্ণ কালো আঁধার কালো সাদা কৃষ্ণে করবো কেমন কালোহোক কালো না থাক আলো সাদা কৃষ্ণরাধা রাতে মিলন ভালোহঠাৎ রাধা মোর বুকে মাথা রেখে কেঁদে বলেকেমনে খেলিবো হোলি কৃষ্ণ বিরহে এই বসন্ত দোলে।।

Blog

ভাবের শেষ

ভাবের শেষ=ভাবের শেষ লিখবো কি ভাবছি বসে কবিতা হবে কেমন করেভাবের ঘোরে মাথা ঘোরে কান্না চোখে অশ্রু ঝরেকে আমার বন্ধু হবে চোখের জল মুছে দেবে কেউ একবার বলকোথায় গেলে ভাব পাবো এই বাংলায় আমায় সেথা নিয়ে চলপাশেই থাকেন দীপেন রায় কবিদের ডাক্তার নিজে বড় কবিহাজির হলাম তার সকাশে ভর দুপুরে আকাশে নাই রবিনত মস্তকে প্রনাম সেরে জানাই তাঁরে হয়েছে ভাবের শেষআর কি কবিতা হবে না প্রভু আছে কি কোন উপদেশ"ওরে মূর্খ- ফাগুন বসন্তে দেখছিস মেঘ কালো বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুরতাকিয়ে দেখ আকাশে সূর্য নেই ভরা দুপুরে ছুটে পালাচ্ছে কুকুরপ্রতিদিন -ক্ষণে ক্ষণে চোখে দেখা আবেগ মনে ভাব এটা কবির দেশভাবনা অনাদি অনন্