Blog

সাহিত্য মন্দিরের সভায়

২৪/৪/২৬ সাহিত্য মন্দিরের সভায়:-সাহিত্য মন্দির পরিবারের সবাইকে আমার নমস্কার।এখানে যা বলবো মিথ্যা বলবো। আমার অন্তর থেকে কোনো সত্য মুখে আসেনা। অন্তরের সঙ্গে মুখের বিরোধ - এটা ইদানিং শুরু হয়েছে,এর মূল কারণ পারিপার্শ্বিক এই সমাজের পরিবর্তন। উত্থান কি পতন বলতে পারবো না। মানুষ এখন মনের আসল কথা বলে না। তাই আমার কথা স্রোতের ন্যায় একই পথে চলছে। আপনারা যে যাই ভাবুন না কেন আমি মিথ্যে বলছি। মিথ্যে কথা আর বাড়াবো না।জানেন দস্যু রত্নাকর এক যুগ তপস্যা করে উই ঢিবি থেকে হয়েছিলেন বাল্মীকি মুনি। রামায়ণ লিখেছিলেন রাম জন্মের আগে। আমি জানি না, আপনারা জানেন হয়তো- রামায়ণ সত্য না মিথ্যা?আমার

Blog

পাপ পুণ্যের বেসাতি

পাপ পুণ্যের বেসাতি ∆পাপ করা সহজ আবার ধুয়ে মুছে ফেলা যায়পূন্য অর্জন করতে জীব নর্দমার নোংরা জল খায়এরা কারা নেড়া মাথা কালা পট্টি বাঁধা দুচোখ বন্ধগোবর শুকিয়ে ঘুঁটে হয়েছে তাতেই তাদের আনন্দমাটির ঢেলার আকার আছে নিরাকারেও অন্ধ বিশ্বাসচেতনাহীনে ধোঁকাবাজি তারা করছে সবার সর্বনাশমগজের চাবিতে জংগ ধরেছে তালা ভেঙ্গে দেখিথরে থরে ঘুঁটে সাজানো মহাশ্মশান একি!

Blog

গরীবের ঘোড়া রোগ

গরীবের ঘোড়া রোগ= কারো মন্তব্য আমার কবিতা হয়নি হয়েছে অন্য কিছু কি দরকার বাজে কথায় কেনই বা ছুটবো সেই কথার পিছু শেষ হয়েছ সেদিনই ছন্দ পতন শুরু করেছিলে যবে মানুষ জনমে মানুষ হওনি অমানুষ হওয়া কেন তবে জুতো মেরে গরু দান নিজেই রাখনি নিজের সম্মান তোমার দয়ায় কলম ধরিনি সইতে পারবোনা কোনো অপমান তুমি যতই লেখ ভুল ঠিক রবীন্দ্রনাথ হবে না কখনো মৃত্যুর পরে কবিতায় শ্মশানে আগুন দেবে জেনো নবকৃষ্ণর মৌমাছি রবীন্দ্রনাথ শুধরে দিয়েছিলেন দেশ খ্যাত মৌমাছি লিখে কবি অমর হয়েছেন মুখ আছে বলতে যা খুশী লিখতে তুমি পার পথের মাঝে সুন্দরীর কেন আঁ

Blog

সময় অসময়

সময় অসময় =প্রতিদিন সকালে অনেক ভাবনা কাজেরকোন কাজ শেষ হয়নি কোনোদিননতুন কাজ এসে যায় কাজের সময়পুরোনো রোজ ভেসে যায় সুনীলে রোজ নীলে অসময়ে মেঘ বর্ষা কখনো রোদ ঝলমলেসময় মানে না অসময় গুলো ভীড় করেঅসময়ে ঘড়ির কাঁটা ঘুমায়নি কোনোদিনকিভাবে সময়ের সংখ্যা ছুঁয়ে যায় নিরবধিপ্রতিদিন সকালে অনেক ভাবনা ঘুম ভাঙ্গার সময়।