Blog

মহাশূন্যে পাড়ি

মহাশূন্যে একটা জগৎ খুঁজে চলেছি জীবনভরসেই জগতের একটি গ্রহে দিতে হবে আমার কবরশেষের লাইনটা আগে এলো যখন যেভাবে মনে আসেবছর বছর সাত দশক খুঁজে চলেছি পৃথিবী আছে আমার পাশেমন চলে পাখনা মেলে মহাশূন্যে সৌরজগত দেবো পাড়িঘরে আগুন পেটে আগুন কাল উনুনে চড়বে না হাঁড়িকল্পজগত কোথাও আছে মন বলছে নিরবধিদিশাহারা নাবিক প্রবর বইছে হাল কুলকিনারা পায় যদিগভীর রাতে জানা গেল আর এক জগতে একটি গ্রহ আছেকাল যদি যেতে পারি খবর দেবো ওখানে পৌঁছে।।

Blog

মায়ামৃগ

সবলা অবলা নারী সংকট দুনিয়ার লক্ষ্মন ছোটে মায়ামৃগ পিছে অনুরোধ সীতার চকিতে উদাহ মৃগ বীর লক্ষ্মন খুঁজিছে বীর বিক্রম লক্ষ্মন পরাজিত সীতার কাছে চরিত্রের দোষ দিয়ে নারী নিজে হলো শেষ নারী পুরুষ সম্পর্ক প্রেম বিরহের সংকটে মোদের দেশ।।

Blog

সেদিন রাতে

সেদিন সে রাতে =জানি আমি মারা গেছি সেই ভুলের রাতেছিন্নভিন্ন জীবনটা শেষ হয়ে যেতেচাইছিলাম আর কদিন বাঁচতেফাঁস খুলে নিজেকে শুধরে নিতেহয়তো কোন কিছু ছিল না আমার হাতেহাত উঠেও উঠলো না দড়ির নাগাল পেতে বারবার কিছু ঘটেনা ঘটনা একবারআর কোন ভুল হবে না এবার।।

Blog

বাগান সারাবছর

বাগান সারাবছর= সকাল থেকে সন্ধ্যে একটি ছাড়া বেশী নয় তবে সারি বলা মুশকিল লাইন বাড়ে কখনো কম হয় বীজ বপন বা রোপণ ঋতু মাস ভেবে চিন্তে মাটি তৈরী রোজ হয়না কিছু কিনতে সূর্যের আলোয় জল লাগে আবার লাগে না ফুল ফল বলে সার আছে মাটিতে চাষ করি বছরভর ফলন ভালো না সর্বসাকুল্যে তিনশো পঁয়ষট্টি দিন রোদ জল ঝড় পোকামাকড় ওষুধ না দিয়ে চাষ বারোমাস দিয়েছি ঘুন ধরা মানুষের হাড় কেউ বলেছে ভালো কারো পরিহাস অনেকের শব্দহীন মন্তব্য কে জানে কোথায় গন্তব্য ফুল জলে ভেজা কাগজের পাতা ফসল জীর্ণশীর্ণ তিনশ পঁয়ষট্টি কবিতা।

Blog

শেষের আগে

শেষটা খারাপ তবে কেন শুরু করাশেষ জেনেও অহেতুক কেন ফেরাশেষে সমাধি কেন জানতে পারনি শেষে মরার আগে কেন মরনিশেষ যদি হয়ে থাকে ভবের খেলাশেষে বেঁধে নিও স্মৃতির পোঁটলা।