Blog

তপন বন্দোপাধ্যায়

তপন বন্দোপাধ্যায় =কাঁথি বইমেলা কমিটির ডাকে বিখ্যাত সাহিত্যিক তপন বন্দোপাধ্যায় কাঁথি বইমেলা ২০২৫ উদ্বোধন করলেন ।৭৮ বছর বয়সেও তাঁর লেখনী থামেনি।অসংখ্য গল্প উপন্যাস প্রবন্ধ সম্ভার লিখেছেন। তিনি নিজেই ডিটিপি করেন এবং প্রকাশকের হাতে তুলে দেন। বইমেলা উদ্বোধন করতে এসে কাঁথিতে দুদিন থাকলেন। বন্ধু তৃনাঞ্জন দত্ত, সুদীপ মাইতির সঙ্গে কাটালেন। আমি কিছু সময়ের জন্য তাঁর সান্নিধ্যে এসে কিছু কথাবার্তা কিছু ছবি ভিডিও সবার জন্য ধরে রাখলাম। সাহিত্য মন্দিরের সম্পাদক তৃনাঞ্জন দত্ত তার শীতকালীন সংখ্যা তপন বন্দোপাধ্যায়ের হাতেই প্রকাশ করলেন, সেইসঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও করলাম। এই তপন বন্দ

Blog

গাঁটছড়া

গাঁটছড়া=ওরে ভোলা আমার শালাকেন এত মন ভোলাজামা পরেছিস কেমনবুকের দুটো বোতাম খোলামেয়েদের মতন চেহারা যেমনপাছার ওজন কতসেলাই তে ফেল মেরেছেগ্রাম শহরের দরজী যততুই নিজেকে তাকিয়ে দেখ মটুদেখতে কি পাসনা -ব্যাটা অন্ধবাঁ পায়ের চটি ডান পায়ে ডানটা বাঁয়েআমার কপাল মন্দচোখ কপালে উঠাস যদিতোরে আমি ছাড়বো নাগোঁফ উঠতে কত বাকি আগুন দেবোএসব কিছু বুঝবো নালেংটা পোঁদের বন্ধু তুইপ্রেম প্রীতি অপারখদ্দের হতিস যদিআজ নগদ কাল ধারবোঝা আর বোঝার মানেআমায় তুই বোঝানেড়া করে ঘোল ঢেলেরাঁচি পাঠাবো সোজাকথা শুনিস না কেন কান কালানাকি দিয়েছিস তালানাটক তোর শুনবো না সেরা বন্ধু কবে হবিবিয়ে না করে তোরে বানাবো শালা

Blog

শরীর ও আমি

=শরীর ও আমি=জীবকুলে জন্ম তোমারপ্রকৃতি তোমার মাসারা জীবন দাও শুধু কষ্টআর মরন যন্ত্রণাতোমার ব্যাথা তোমার মন জানেআমি কিছুই জানি নাজীবনটা কি খেলার পুতুলনাকি শুধুই বেদনাহৃদয় রেখেছ কোথায় জানতে দাওনিএ কেমন ছলনাপা থেকে মাথা প্রতি অঙ্গ,সব তোমার অধিকারমনের খোরাক শুধু ব্যাথা,কষ্ট দুঃখ কারতুমি কি জান না দুষ্ট বধেনিজে শত্রু হতে পারকেন এত কষ্ট দাওশুধু আমার দোষটাই ধরথাকতে চাই না তোমার অন্তরেহতে পার তুমি মহাবীরবিরহ বিচ্ছেদ চাই জীবন থেকেটানছে না আমার শরীর।

Blog

জানি তুমি যাবে চলে

জানি তুমি যাবে চলে              কারে কিছু না বলেসেদিন তুমি বলেছিলে 'না '-              আমি বলেছিলাম আশিকালের কবলে হেরেছি দোঁহে    জয় পরাজয়ের কথা এখন হলো বাসী। তোমার কোন দুঃখ নেই                 নেই কোন আবেগআমি ক্ষ্যাপা খুঁজি পরশপাথর তোমাতে                  তাই তুম

Blog

আমাদের শপথ (সুকান্ত স্মরণে)

      সুকান্ত ভট্টাচার্যজন্ম শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি এই মহতী সুকান্ত জন্ম শতবর্ষের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সম্মানীয় ব্যাক্তিবর্গকে আমার প্রনাম। প্রনাম জানাই সেই তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে।কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই। তাঁর মৃত্যুর পাঁচ বছর পরে আমার জন্ম । আমার অক্ষর জ্ঞান হওয়ার পরে অনুষ্ঠানে যতটুকু পড়েছি বা জেনেছি তার সামান্য কিছু তথ্য সংগ্রহ করে এখানে লিখেছি। ভুল ত্রুটি মার্জনা করবেন।একটি কবিতার লাইন যা আমাকে ২৫ বছর বয়সে উদ্বুদ্ধ করেছিল-রানার-রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতে রানার চলেছে, খবরের বোঝা হাতে, রানা