মহান রাজা=
আমার বাড়ী কাঁথি কিশোর নগর
রাজার গড়ে দিন কেটে যায়
মহান রাজা দয়ার সাগর দুঃখ হরন করেন সবার
নাম যাদব রাম রায়
দাদুর মুখে শোনা গল্প তার সময় কালে
ছিল নাকো কাঙ্গাল ভিখিরি  
রাজার জমি চাষ করে ধর্মশালায় দুবেলা খাওয়া
পুরানে জানতে পারি
দানশীল ও ধার্মিক রাজা স্বপ্নাদেশ পেয়ে
শুরু করেন দূর্গাপূজা
রীতি নিয়ম মেনে তিনশো বছরের বেশী
পার করেছে প্রানপ্রিয় প্রজা
রাজা কবে গেলেন চলে
তার নেই কোন ইতিহাস
এখন দেখি প্রজাদের মধ্যে মারামারি কাড়াকাড়ি
যারা করতো চাষবাস
চার প্রজন্মের আমার মহাদাদু যখন ভিক্ষার ঝুলি কাঁধে
ঘুরতো দ্বারে দ্বারে
তখন রাজার আদেশে
রাজকর্মচারী দাদুরে নিয়ে গেল ধরে
এক কাঠা জমি দিয়ে দাদুকে
নিজের প্রজা করে নিল
রাজার আদেশে দুবেলা দুটো খাওয়া
থাকার ব্যবস্থা হলো
তিনশো বছর পরে সেই রাজা প্রজা
কেউ নেই আর কলিকালে
এক কাঠার অধিকার চলে গেছে বর্গাদারদের হাতে
সরকারী গেঁড়াকলে
দলিল নাই বর্গা রেকর্ড নাই আমার আর
কি দাবী থাকতে পারে
বর্গা হয়েছে এক নেতার নামে
আমার দাবী থাকবে কোন অধিকারে
এ যুগে নেতার মার বিশ্ব মার
তার উপরে আর কিছু নাই
সেই জমি কিনতে হলো ভায়া দালাল
দালালির দামেতেই
এক কাঠা জায়গায় কাটলো
জীবনের বাকী কটা দিন
অর্থের বিনিময়ে অধিকার
অর্থ যার মাটি তার
রাজা প্রজা অর্থহীন
এখন কিশোর নগর গড়ের বাসিন্দা আমি ভাগ্যক্রমে দিন কেটে যায়
রাজা যাদব রাম রায়কে জানাই প্রনাম
সে কি আমায় দেখতে পায়।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *