Blog

অতীত স্মৃতি

অতীত স্মৃতি।।কেন জানি না যে শুধু অতীত স্মৃতি মনে পড়ে!কখন সে যে হারিয়ে গেল অনেক দূরে কিশোরনগর গড়ে;পাহারা ছিল আকাশ বাতাস দিনে সূর্য রাতে চাঁদ,অটুট ছিল হৃদয়ের বন্ধন ভাঙলো কেন প্রেমের বাঁধ!পোষা পাখিরে পিঞ্জর কি কভু আটকে রাখতে পারে ?জলের তোড়ে প্রেম ধুয়ে যায় সাগর যখন  ডাকে তারে ,সেই স্মৃতি স্বপ্ন আনে তুমি অতীত তাতে কি?স্বপ্ন যদি সুখ আনে সেই আনন্দে বেঁচে থাকি।।

Blog

টাকি ও ইছামতী

ভুটভুটি যে চালাচ্ছিল ছেলেটির বয়স হবে পঁচিশ থেকে তিরিশের মধ্যে । সুদীপ, তৃনাঞ্জন, আমি ও আমাদের সহধর্মিনী শুনছিলাম ছেলেটির রোজকার বলা কথাগুলো। অবিভক্ত বাংলার পুরোনো কথাগুলো নতুন জেনারেশনের মধ্যেও অবিকল থেকে গেছে। ভাগের পরে দুই বাংলার মানুষ কোন আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে ভাই ভাই সম্পর্কের জের বজায় রেখেছে। মা ইছামতীর বুকে নৌকায় চড়ে ঘুরে দেখছিলাম কিভাবে বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করা যায়। ওই দেখা যায় বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা। আমরা ভারতের টাকীতে। ছেলেটি বললো-'দুর থেকেই দেখতে হবে নদীর মাঝ বরাবর ভারতের সীমানা পেরোনো যাবে না, আপনারা চাইলে ওদের ভুটভুটির পাশে নিয়ে কথা

Blog

আয়না

আয়না > আয়নাতে মুখ দেখা তোমার অহংকার, মুখে রং মাখ নিজেকে আড়াল করার। আয়না বলে আহা তুমি কত সুন্দর, অন্তর কি কাঁপে না কেমন করেনা বুকের ভেতর! কে আসল কে নকল সাজানো জীবন গুলো, তুমি ভুত না মানুষ আয়না জানে ভালো. এক জীবনে অনেক রং ভালো করে আয়নায় অন্তর দেখো , আয়নাতে রূপ বদলায় চরিত্র বদলায় নাকো । কারো বা গোঁফ দাড়ি চুলে কলপ কারো নেই; কপালে লাল সবুজ টিপ ঠোঁটে লিপস্টিক চেনেনা কাউকেই. মনুষত্ব বিকিকিনি মন হারায় রঙের দরবারে, যতই সাজ অহঙ্কারী আয়না সবই বুঝতে পারে।

Blog

আমি শুয়ে থাকি

∆ আমি শুয়ে থাকি ∆ সবাই যখন কাজে ব্যস্ত আমি শুয়ে থাকি, চোখের পাতা খোলা থাকে হতাশাকে ডাকি , কঠিন কাজে ব্যস্ত সবাই কাজের নাই শেষ, বিরামহীন হাত পা শরীর গড়গড়িয়ে চলছে দেশ, আমি কেবল দিশেহারা চোখ থাকতেও অন্ধ, যেদিকে তাকাই শুধু কড়িকাঠ সব রাস্তা বন্ধ, খোলা চোখে স্বপ্ন ভীড় করে সেখানেতে থামি, আশা ভরসা সব হারিয়ে জীবন ঊষর মরুভূমি, কেউ যেন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে বিছিয়েছে জাল, মনে ভাবি কেউ এসে খুলবে আগামীকাল, কাল যখন আজ হয়ে শতাব্দী পার হয়, পৃথিবীটা হারিয়ে গেছে কেউ কারো নয়।