সোনার বদলে পেতল‼️
সুধাংশু রাউৎ ✍️
✒️নাতি ঠাকুমা বড় ভাব মুদির দোকান ঘরের ধারে
ঠাকুমার দেওয়া দশ টাকায় আনে কুরকুরে
অচেনা খদ্দের এক কুরকুরের দাম দেয় দশ টাকা
বলে ঠাকুমাকে বলবি দাম দিয়েছে কাকা
রোজ দোকানে ওই সময়ে কাকা দাঁড়িয়ে থাকে
নাতি চালাক ভারি ঠাকুমার টাকা পকেটে লুকিয়ে রাখে
তিরিশ দিনে তিনশো নাতির পকেটে জমছে
নাতির মা দেখে বাচ্চার পকেটে অনেক টাকা আছে
মায়ের রাগ থামেনা ছেলের পকেটে এত টাকা কোথা থেকে এলো
ঠাকুমা দিয়েছে বলে সে যাত্রা নাতি রক্ষা পেলো
ঠাকুমা সন্দেহ নিরসনে দোকানদারের কাছে জানতে চায়
রোজ দশ টাকা নাকি এক কাকা এসে দিয়ে যায়
কে সে দয়ালু কাকা কোথায় বাড়ি কি তার নাম
দোকানদার বলে অচেনা এক লোক রোজ মেটায় কুরকরের দাম
ঠাকুমা অবাক আজ ধরতে হবে অচেনা অতিথিরে
যে সময় সে আসে দোকানে ঠাকুমা লুকিয়ে অপেক্ষা করে
এলো সেই দয়ালু ব্যক্তি দোকানদার চিনিয়ে দেয়
জেঠিমা সম্বোধনে পায়ের ধুলা মাথায় নেয়
সংগোপনে দূরে গিয়ে ঠাকুমার হাতে দেয় এক কিলো সোনা
বলে মাটি খুঁড়ে পেয়েছি সোনার গোলা কাকপক্ষীও জানে না
মূল্য যা দেবেন দিন আপনাকে দেওয়ার ইচ্ছা আছে
ঠাকুমা বলে এতো সোনা নয় পেতল যেতে হবে স্যাকরার কাছে
হঠাৎ ছানি হাতুড়ি বার করে এক টুকরা কেটে দিল
পরের দিন আসবে বলে সোনার তাল ব্যাগে ঢুকিয়ে চলে গেল
ঠাকুমা ওই টুকরো নিয়ে স্যাকরার কাছে যায়
স্যাকরা বলে খাঁটি সোনা কোন সন্দেহ নাই
পরের দিন যথাসময়ে সেই ব্যক্তি দোকানে হাজির হয়
ঠাকুমার জমানো এক লাখ কর্জ এক লাখ দু লাখেই রফা হয়
দু লাখ নিয়ে অতিথি মুহূর্তে ড্যানিশ হয়ে যায়
স্যাকরার চোখ সোনার তালে পেতল দেখতে পায়
ঠাকুমা হার্টফেল করেনি কোনোভাবে বেঁচে গেল
গল্পের মত হলেও ঘটনা সত্যি ছিল।।
😭😭😭
