একটা কবিতা লিখেছি শরীরে ভয়ঙ্কর উত্তেজনা
প্রথম লাইনে লাগবে আগুন দ্বিতীয়ে টান তৃতীয় লাইনে টান টান উত্তেজনা
শুয়ারের বাচ্চা এনেছে কুত্তার বাচ্চা বেঁধেছে বাহির ঘরে
সারাদিন রাত কেঁউমেউ আমার নিদ্রা হরন করে
বউর সঙ্গে বোধ হয় হাতাহাতি মানুষ থাকে না তাদের চীৎকারে
চেঁচামেচি কেঁউমেউ পাড়া মাতায় ডাহুক কি চুপ থাকতে পারে
এদিকে মেঘের আর তর সইছে না বাজ ফেলে বৃষ্টি ঝরায় অঝোর ঝরে
অহংকারী সমাজবিরোধী মদনটা কুত্তা পুষে রাখে
বুদ্ধির গোড়ায় ধোঁয়া দিয়ে বিবেকের মাথা খেয়ে গর্তে লুকিয়ে থাকে
উপায় কি প্রেশারের ওষুধ বন্ধ করে করবো এবার তাড়া
মদনের গুষ্টি করবো ষষ্টি করবো ঘরছাড়া এবার বুঝুক পড়শী পাড়া।
