যাত্রাপালা=
এ্যমেচার যাত্রা হচ্ছে পাড়ায়
আমি সেজেছি রাবন রাজা,
যাত্রাটি আমার লেখা নাম ভূমিকায়
এক রাত্তিরে হীরো সাজা ।
ভালো পেন্টার রেট বেশী
মানুষকে রাক্ষস বানাতে পারে,
গোঁফে আঠা দাড়িতে আঠা
পিঁপড়া ঢুকলো কেমন করে?
বাম হাতে ঢাল ডান হাতে তরোয়াল
সুড়সুড়ি বড্ড জোরে,
যাত্রাপালা দেখছে যারা
তারা কি কিছু বুঝতে পারে?
কেমনে চুলকাই যেদিকে তাকাই
সবাই তাকিয়ে হাঁ করে,
রনদুন্ধুভি বাজছে বুকে
মিউজিক পার্টি বাজাচ্ছে জোরে।
ডাইলক তো নিজের লেখা
কি ক্ষতি একটু আধটু হলে ভুল!
ক্রোধে অঙ্গ থরহরি
কাঁপছে গোঁফ দাড়ির চুল।
শরীর কাঁপে হাঁটু কাঁপে
দাড়িতে সুড়সুড়ি যাচ্ছে বেড়ে,
বিভীষন কোথায় ভাই ?
এবার বুঝি দেখুয়ারা আসবে তেড়ে।
মন্দোদরী আসরে বসে
আমার চেয়ে যাত্রা বেশী ভালোবাসে,
মন্ত্রী সান্ত্রী কোথায় সব
এরা কেউ নেই আমার পাশে!
“ওরে দুরাচার- কি করিবে রাম আমার
ওর ওই হনুমান দল ,
প্রস্থান করিবো সীতারে লইয়া
দুধে মিশাইয়া জল।
হে রাম বাঁচাও মোরে
কুটকুটানি আর সইতে না পারি,
যবনিকা পাক্কা, পিঁপড়া ছারপোকা,
বাঁচাও ত্রিভুবন হরি।”
হঠাৎ প্রম্পটার ঢং ঢং ঘন্টা বাজিয়ে
টানে যবনিকা,
দৃশ্য শুরুতেই অংক শেষ
চকিতে আসর ফাঁকা।
জীবনের রঙ্গমঞ্চে রোজ ঘটছে
ঘটনার নেই শেষ,
বহু বছর পার করেছি
কাটেনি এখনো সেই নাটকের রেশ।।

