🔥গ্লোবাল ওয়ারমিং💫
জল ও স্থল দুয়ে মিলে পৃথিবী। তিন ভাগ জল এক ভাগ স্থল। এক ভাগ স্থল যার নাকি কিছু অংশ সমুদ্রের ভেতরেই ছিল শতাব্দীর পর শতাব্দী অতিবাহিত হওয়ার পর জল সূর্যের তাপে বাষ্পিভূত হয়ে আকাশে মেঘরুপে অবস্থান করছে। তাই উদ্ভুত বালুচর সমুদ্র কোলে জেগে উঠে স্থলভাগকে বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির নিয়মে সেই মেঘরুপী জল আবার কোথাও বরফ আবার কোথাও জল হয়ে সমুদ্রে জমা হচ্ছে। হরে দরে সমুদ্রপৃষ্ঠের জলতল একই লেবেলে থাকার কথা। পৃথিবীতে এই প্রকৃতির খেলায় কিছু বিজ্ঞানী বা ভুতত্ববীদ মনে করেন সমুদ্রের জল আস্তে আস্তে বাড়ছে। এর একটি বড় কারন নাকি আন্টারটিকার বরফ গলা।
সূর্যের তাপ নাকি ধীরে ধীরে কমছে। সূর্য ঠান্ডা হচ্ছে তার প্রভাবে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা ও কমছে। ফলে পৃথিবীর ওপরের খোলস ও ঠান্ডা হচ্ছে। প্রশ্ন যে আন্টারটিকার বরফ কার তাপের প্রভাবে গলে জল হচ্ছে? বরং আরো জমে বরফের পাহাড় হওয়া উচিত। আমরা জানি পৃথিবীর একটি আভ্যন্তরীন তাপমাত্রা আছে। এই তাপমাত্রা কোনো কারনেই কমছে না কারন মাটি পাথর ভেদ করে বাহিরের বায়ুমন্ডলে ওই তাপ বেরিয়ে আসতে পারবে না। কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের মতে সমুদ্রের জলস্তর নাকি আরো বেড়ে পৃথিবীর কিছু কিছু অংশকে ডুবিয়ে দেবে। যেমনটী কিছু অংশ চড়া পড়ে স্ললভাগ তৈরী হয়েছিল ঠিক তেমনটি জলস্তর বেড়ে আবার পৃথিবীর কিছু অংশকে ডুবিয়ে দেবে। বিজ্ঞানীদের রিসার্চ ও ভবিষ্যদ্বানী তথ্য নির্ভর তো বটেই। কিন্তু আমার একটি ভাবনা নিরন্তর আমাকে উদ্বেল করে।পৃথিবী জলময় না হয়ে বরফময় হওয়া উচিৎ ছিল। উত্তর মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত পরবর্তীতে কমতে থাকবে বিজ্ঞানের ভাষায় বরফ আরো জমতে থাকবে। আকাশের মেঘ তথা সঞ্চিত জলীয়বাষ্প সমুদ্র থেকে ধাবিত হয়ে উত্তর মেরুতে আশ্রয় নেবে ওখানে অতিরিক্ত ঠান্ডায় জমে বরফে পরিনত হবে।
গ্লোবাল ওয়ার্মিং আমার ভাবনায় জল ঢেলে দিল। আর সেই জলে এবার পৃথিবী নামক তরিটি ডুববে। বিজ্ঞান বলছে কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন গ্যাসের আধিক্য যা নাকি পৃথিবীকে ঢেকে ফেলেছে। এই আস্তরণে পৃথিবীর আভ্যন্তরীন তাপে উষ্ণায়ন দিন দিন বেড়ে চলেছে। মুলত দায়ী মানুষ গাছপালা কল কারখানা। সারা পৃথিবীর মানুষ কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনে বায়ুমন্ডলকে ভারী করছে। কলকারখানা থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস। সর্বোপরি গাছপালা নিধন।
পৃথিবীর উপরে এই কার্বনডাই অক্সাইডের আচ্ছাদন পৃথিবীর তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। উত্তর মেরু অঞ্চলে আন্টার্টিকায় এর প্রভাব পড়তে বাধ্য। তবে আন্টারটিকায় যদি জমা বরফ না থাকতো তবে পৃথিবীর জ্বরে সমুদ্র হয়তো গুটিয়ে যেতো ডুবে মরার শঙ্কা থাকতো না। দেখা যাক কি হয়! প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের লড়াইতে মানুষ হারবে এটাই চিরন্তন সত্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *