মোবাইলের সেকাল, একাল ও আগামীকাল
মোবাইল এখন একটি অপরিহার্য্য ইলেকট্রনিক্স সিষ্টেম যার দ্বারা আমরা ঘরে বসে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ সারতে পারছি। শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেই এখন ঘরের বাইরে না বেরিয়ে মোবাইলে দৈনন্দিন কাজ সেরে নিচ্ছেন। অর্থ রোজগার বা অর্থ খরচ মোবাইলেই হচ্ছে। রান্না বান্না পড়াশুনা এমন কি হাট বাজার স্কুল কলেজ ব্যাংক বীমা অফিস আদালত চুরি ডাকাতি মিটিং জনসভা ভোট পরবর্তীকালে সবই মোবাইলে হবে। ঘরের বাইরে বেরোনো আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাবে। এসব ভবিতব্য ছিল।
এই সবের মুলে ট্রানজিষ্টর আবিষ্কার। আর যাঁরা এই ট্রানজিসটর আবিষ্কার করেছেন তাঁদের কে ক্ষনিকের জন্য স্মরণ না করলে খারাপ বা ভালোর দিকটা অনুমান করে গুনাগুন বা দোষারোপ করা যাবে না। আগামী দিনগুলি আলো না অন্ধকার একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে সবটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
আচার্য্য জগদীশ চন্দ্র বসু ট্রানজিসটর আবিষ্কার করেননি। বেতার যন্ত্রের অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গের (মাইক্রোওয়েভ) ব্যবহারের আবিষ্কর্তা। যদিও অনেকে মনে করেন তিনি বেতার যন্ত্রের উদ্ভাবক, তবে তিনি মূলত মার্কোনির থেকে আলাদাভাবে কাজ করেছিলেন এবং তাঁর গবেষণা এই নতুন ধরনের তরঙ্গ নিয়ে ছিল, যা পরবর্তীতে বেতার যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারতে ব্যবহৃত হয়। রেডিও শোনার জন্য টেলিফোনের মতো কেবল লাইন লাগাতে হতো রেডিও ষ্টেশনের সঙ্গে। সেটা আর করতে হয়নি। রেডিও আর ঘরে ঘরে শোনাই যেতো না যদি না জগদীশ বোস বেতার আবিষ্কার করতেন। ইথার তরঙ্গের ব্যবহার তিনিই উদ্ভাবন করেছেন। তাই রেডিও আবিষ্কারের কৃতিত্ব তাঁরই। এখন সেই তরঙ্গকে কাজে লাগিয়ে টাওয়ার থেকে মোবাইল তার ছাড়াই মোবাইল পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারছি। ইন্টারনেট কিন্তু তার ছাড়া হয়না। তাই প্রতিটি টাওয়ার দেশ বিদেশের সঙ্গে তার দিয়ে যুক্ত। স্থলভাগে মাটীর নিচে ও সমুদ্রের তলদেশে বিশাল বিশাল কেবল লাইন পেতে টাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত করা আছে।
সমস্ত ব্যাবস্থাটাই সার্ভিস প্রভাইডারের মাধ্যমে প্রসেসিং ইউনিটের মধ্যে ঢোকানো হয়েছে, বর্তমান মানুষের দ্বারা আর কোনো কাজই হবেনা যা করবে (AI) আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স। মানুষের পরিচালনা করা লাগবে না। আর কোনো ভুল ও হবেনা। পাপ পুন্য ক্ষমা ঘেন্না হিংসা অহংকার সবটাই AI বোঝে, এটা নাকি বিজ্ঞানীদের দাবী। হ্যাঁ, সারা পৃথিবী জুড়ে সাকার ও বেকার দুটি শব্দ অভিধান থেকে মুছে যাবে। চাকুরিয়া ও বেকার দুই পক্ষ একই সমতায় থাকবে। শুধুই অপেক্ষা।
(আমার সীমিত জ্ঞান ও কিছু সংগৃহিত তথ্য মিলিয়ে পরিবেশিত হলো)

