প্রতিদিন একটি সুন্দর সন্ধ্যায় আমরা তিনবন্ধু মিলিত হই ঘনশ্যামের চা দোকানে। সবাই আমরা রিটায়ার্ড লোক। সেখানে আবার অন্যান্য অংশের রিটায়ারিরা ও উপস্থিত হন।
ভুলে যাওয়া এখন আমাদের প্রধান রোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। লিখতে গিয়ে কোন কথাটা আগে লিখতে হবে কোনটা পরে সব গুলিয়ে যাচ্ছে। ওই যে বললাম না ভুলো পার্টি। তা হোক। আগে তিন বন্ধুর পরিচয় হোক। আমি এলাহাবাদ ব্যাংক (IB), কমল তোলা, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক, পুলক ধর, UBI(PNB) আরেক জনকে ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি ফুড সাপ্লাইর প্রদীপ দাস, মাঝে মধ্যে আরো যেমন ফায়ার ব্রিগেডের অচিন্ত্য জানা ইত্যাদি ইত্যাদি। রোজকার আলোচনার মধ্যে অতীত স্মৃতিগুলো বার বার ঘুরে ফিরে আসে।
একটা ভুল করেই ফেলেছি। আগে বলে নিই । যে জায়গায় আমরা দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছি সেটি কাঁথির আয়ুর্বেদ কলেজ গেট। সেন্ট্রাল বাসষ্ট্যান্ড লাগোয়া তার লাগোয়া ঘনশ্যামের চায়ের দোকান।
ঘনশ্যাম বড্ড ভালো ছেলে। স্যর স্যর করে দ্রুত মনের মত চা বানিয়ে দেয়। কি আর করা শিক্ষিত ছেলে পয়সা নেই চাকরী নেই। অগত্যা……..
ওয়েদার বড্ড খারাপ ভ্যাপসা গরম তারপর শক্তির আগমন বার্তা, চোখে পিঁচুটি কাটছে দেখতে পাচ্ছি না। মোবাইলে কি যে লিখছি সব আবছা। বন্ধুদের পড়তে একটু কষ্ট হবে,তা হোক। একে লভু দুয়ে চোখ লগে।
ভুলে গেছি যে কথাটা বলতে চাইছিলাম, কে জানে আর কতক্ষন! তবে প্রতিদিন চা বিস্কুট পান বাবদ ১৫ টাকা আমার বাঁচে। মানুষকে ভালবাসার আমার শেষ জীবনের শেষ পাওনা ও শেষ কথা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *