বীরেন কে একটা চিঠি

নববর্ষ ২০২৬=
https://youtu.be/K0yi4oGnEzc?si=GGakWAI0uLIn7IzJ
পরিচিত হতে চাই….
এ যুগেও সেরার শিরোপা পাওয়া যায়। অসংখ্য মনের ভীড়ে নিজের মনকে অধ্যবসায়ের সুউচ্চ শিখরে পৌঁছানো কঠিন মনে হলেও প্রয়াসে ত্রুটি না থাকলে অবশ্যই তা সম্ভব। ২০ বছর বয়সে সীমিত জ্ঞান নিয়ে শুরু লেখালেখি। ২৫ থেকে ৩০ আকাশবাণীতে বেতার নাট্যকার হিসেবে রাষ্ট্রপতির স্বীকৃতি। সেইসময়ে আমার ক্ষুরধার লেখনী বহু নামীদামী পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। পরবর্তীতে আমার কিছু নাটক স্থানীয়ভাবে মঞ্চস্থ হয়েছে যার পান্ডুলিপি গুলি অর্থাভাবে ছাপাতে পারিনি। এখন উইর পেটে। এত কম বয়সে নিজের ইচ্ছা অদম্য থাকলেও তেমন কারোর সাহায্য পাইনি। তরুণ মনে হতাশা দানা বেঁধেছিল। হতাশা কাটলো ব্যাংকের চাকরি পেয়ে। লেখালেখির আনন্দ আবেগ কিন্তু থামেনি। চাকরীর আনন্দ ও অসার সংসার সব যেন চাপা দিয়ে দিল। লেখালেখির জগত থেকে প্রায় সরে গেলাম। তুষের আগুন যেরকম ধিকিধিকি জ্বলে, সেইরকম ৬০ বয়স পর্যন্ত শুধু তুষের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিলাম, অল্পস্বল্প লেখালেখি। অবসরের পর তুষের আগুন আবার জ্বললো কিন্তু তাতে তাপ নেই। উপন্যাস ছোটগল্প কবিতা লেখা শুরু করলাম। একটি দৈনিক সংবাদপত্রের প্রকাশক ছিলাম। আমার নিজস্ব প্রেস আছে। আমার লেখা নিজেই ছাপি নিজেই প্রকাশক নিজেই পাঠক, আমার ছেলে নেই তিনটি মেয়ে, ওরা আমার লেখা পড়ে না, বউ ও না। সেই ধিকিধিকি জ্বলা তুষে ফুঁ দিলে আর কি হবে! জনসংখ্যা বেড়েছে বই পড়ার লোক কমেছে। সে যাই হোক কিছু কিছু সাহিত্য সংস্থা আমার লেখার গুরুত্ব দিয়ে আমার কবিতাকে শ্রেষ্ঠ বিবেচনা করেছেন। ২০২৬ এ ৭৪ এর বৃদ্ধকে এই সম্মাননা দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। একটা কথা মনে রাখতে হবে আজ যদি যুগান্তকারী আবিষ্কার সোস্যাল মিডিয়া ( ইলেকট্রনিক মিডিয়া) না আসতো তাহলে ফুঁ তো দূরের কথা ঝড়ের বাতাসে ও তুষ জ্বলতো না।


জীবনের অংক কষবে যত
দেনার দায় বাড়বে তত
তাই কলা বউ এনেছি ঘরে
অংক কষতে নাহি পারে
বিবাহিত জীবন আধা শত পার
নিজে করে খাই সকালে একবার
নারীর স্বাধীনতা নারীকে দিয়েছি
বউকে আপন করেই নিয়েছি
দূজনে একদিন যাবো চলে
প্রেম ভালোবাসা ভাসবে জলে
জীবন থাকতে সব অংক কষে নাও
সব দোষ ক্ষম বন্ধু এবার আমায় মুক্তি দাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *