Blog

লক্ষ্যস্থির

"লক্ষ্যস্থির "(মার্চ, ১৯৭৮)প্রচন্ড ইচ্ছা ধনুকের ছিলায়তর্জনী ও মধ্যমার টানে টান টান - ছোঁড়ে-তীরটা ফিরে আসে সবেগে নিজের দিকে নিরাশার অন্ধকারে -সদ্য ফোটা গোলাপের রং কালো।যৌবন উন্মাদনার দিকে সেতো সৃষ্টির উত্তরাধিকারী নয়।ইচ্ছার ফল জয় আর প্রশংসা কর্পুরের মত উবে যায়।জ্বরে হাড় ভাঙ্গে - কষ্ট শুধু কষ্ট,ভয় আর ভয়।সম্মিলিত প্রচেষ্টা এগিয়ে দিল তাকে। পুনরায় লক্ষ্যস্থির - তীর ছোটে সাঁই সাঁই রবে-ছুটে চলে - লক্ষ্যভেদ হয়।প্রচন্ড গর্জনে পৃথিবী ফেটে চৌচির হয়। মরুভূমির বুকে একটি লাল গোলাপ কুঁড়ি, প্রথম কলি ফুটবে।।

Blog

পরশপাথরে পল্টু (বন্ধু মানস সান্যাল)

সত্যজিৎ রায় তাঁর পরশপাথরে মানস সান্যাল ওরফে পল্টু কে দিয়ে পাথর গুলি ছোঁড়া শত চেষ্টায় ও ফুলদানি স্পর্শ করাতে পারেন নি,শেষমেষ নিজে পাথর ছুঁয়ে ফুলদানি কে সোনা করেন। পরশপাথর সিনেমা যারা দেখেছেন তাঁরা বুঝতে পারবেন, ফিল্ম কাটা জোড়া করে এই দৃশ্য দেখানো হয়েছে। বন্ধু মানস সান্যালের মুখ থেকে শোনা এই অজানা কাহিনীর কিছু কথা এখনো মন ছুঁয়ে আছে। তার সার সংক্ষেপ একটি পত্রিকায় প্রকাশিত পাতাটির ছবি দিলাম।

Blog

শিরঃপীড়া

"শিরঃপীড়া "রাগিণী চরম সুরে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি সাগরেভাঙ্গা গড়ার খেলা মরুতে রক্ত হীন পাহাড় শরীরেঝর্ণার রং লাল মেঘ ঝরা মুষল বৃষ্টিক্ষনিক থাম বন্ধু বন্ধুর সুনীলে একি অনাসৃষ্টিএলোমেলো ভাবনার বেড়াজাল ডিঙিয়েকতটা সময় আর বন্ধুর পথ চেয়েআবেগ সে মেঘ নয় অনন্ত শূন্যতা সেখানেতবুও নীল কুচকুচে কালো সে আছে যেখানেযতদূর চোখ যায় নেই কোনো আলো তারাআর নয় বন্ধু তালগোল পাগল পারাখড়ের মা অনন্ত সাগর জলে ভেসে আসেঅসহ্য যন্ত্রনা শিরে শোণিত শূন্য সাইনাসে।।