মা মনসা হিন্দুধর্মের লৌকিক সর্পদেবী। কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটেছিল আমাদের মেদিনীপুরের অজ পাড়াগাঁ তেডুবি গ্রামে।
আজ থেকে ৫০ বছর আগে লোকমুখে শোনা।
তেডুবী পল্লী উন্নয়ন সংঘ মা মনসার মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন বাংলা  ১৩৮২ সালে।
আমার যখন ২০ বছর বয়স ঠিক সেই সময় ওই গ্রামের এক পরিবার সাপে কাটা সাত বছরের এক সন্তানকে ওঝা দেখিয়ে বাঁচাতে না পারায় মনসা গাছের তলায় ফেলে রেখে গেছিল। পরের দিন সকালে সেই ছেলে ঘরে ফিরে আসে। অবাক গ্রামবাসী পরবর্তীকালে সেই পদ্ধতিতে সাপেকাটা রোগীকে ওই মনসাতলায় ফেলে দিয়ে গেলে নাকি জীবন ফিরে পায়।
সেই থেকে গ্রাম গ্রামান্তরে জেলা এমনকি সারা রাজ্যে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে,শুরু হয়ে যায় কামনা বাসনার মানত হিসাবে বাতাশা হরিলুট অর্থদান কত কী।
আজ আমার নাতির মানসিক ছিল তার ওজনে বাতাসা হরিলুট তাই ওখানে হাজির হয়ে দেখলাম হাজার হাজার মানুষ মানত দিতে সেখানে হাজির। বিশাল মেলা প্রান্তর । সুদৃশ্য সুসজ্জিত মন্দির, মাইকে ঘোষণা হচ্ছে অনেকে অনেক কিছুই দান দিচ্ছেন । হঠাৎ কানে এলো আরামবাগের কোনো এক ব্যাক্তি এক কোটি টাকা দান দিলেন।
মানুষের বিশ্বাস এই মেলা বা এই গ্রামকে আজ মানুষের মিলনক্ষেত্র হিসেবে যে চিন্হিত করেছে তার জন্য সংঘের সম্পাদক দেবাংশু মান্না,অশোক মান্না, শঙ্কর জানা সংঘের প্রতি সদস্য ও সমস্ত গ্রামবাসী কে ধন্যবাদ জানাই। সরজমিন একটি চোখে দেখা হাল দিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *