“হাতি বাড়ি”
দিনে চাঁদ যাচ্ছে দেখা
বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা
খুব বেশি নয়কো দূর
ঝাড়গ্রাম জেলা গোপিবল্লভপুর
জঙ্গলকন্যায় নদী পার
তিন রাজ্য মিলে একাকার

হাতিবাড়ি ফরেষ্ট রেঞ্জ
আনন্দ পাবে হবে চেঞ্জ
হাতি আছে নয়কো দাঁতাল
কলকাকলি ভরা সকাল

সিনারি দেখতে হলে
নদীর তীরে যাও চলে
তরী নিয়ে শম্ভু বারী
জল বিহারে আছে তৈরী
সূয্যি যখন ছোট্টো মামা
পুবে উঁকি সোনালী জামা
অপূর্ব দৃশ্য নয়নাভিরাম
কোথাও নাই এমন আরাম
সুরেন মাইতির রান্না
যত খুশী খান না
পাখিরালয় ঘুরে নিন
ময়ুরপুচ্ছে ছোঁয়া দিন
সুদীপ গেল কালোয়া ষাঁড়
যা বলে গোপাল ভাঁড়

কালুয়া ষাঁড় জঙ্গলে
ইচ্ছা পূরণ হলে
মানত মুরগী পাঁঠা বলি
মুখে বল জয় মা কালি
লব কুশের জন্ম গল্প
যা বুঝেছি খুব অল্প
এই সেই তপোবন
মোবাইল ছবি মূলধন
নদীর ধারে রামেশ্বর
মহাদেবের বিশাল ঘর
পরের দিন ঘাটশিলা
পাহাড় নদীর মিলন মেলা
কালি শিব জেগে ঘুমায়
ভয় ভক্তি জাগে মাথায়
পথের পাঁচালী যাঁর লেখা
তাঁর বাড়ী হলো দেখা
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
তার বাড়ী লোকে দেখতে যায়
আরো দেখেছি কত কি
না দেখলে বোঝাবো কি
মিষ্টির সেরা পেড়া সন্দেশ
তার চেয়ে সেরা আমার দেশ।।
         ******

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *