Blog

ডঃ কেলুচরন মহাপাত্র/Dr.Kelucharan mahapatra

সৌভাগ্যক্রমে একদিন বন্ধুর বোনের মেয়ের সঙ্গে পৌঁছে গেলাম গুরু কেলু চরনের ভুবনেশ্বরের বাড়িতে। শ্রজন নামক এই বাড়িটি ওড়িশা সরকার নৃত‍্য শিক্ষার জন‍্যই তৈরী করেছিল। বন্ধুর বোনের মেয়ে নৃত্য শিক্ষা করতো এখানেই। কেলুচরনের স্ত্রী লক্ষীপ্রিয়া বেরিয়ে সহাস‍্যে বললেন "বস"কিন্তু বসবো কোথায়! পাঁচটি চেয়ারে পাঁচটি সুন্দরী বসে আছে,কোলে বসতে হবে!আমি বললাম "মাসিমা কোউ আড়ে বসিমী"মাসীমা বললেন"এবে আঁখির দেখুনি পরা,এ সবু ডিজাইন,বস।"বেতের তৈরী চেয়ারে যে গদি দেওয়া আছে নৃত্য সাজে সে যেন এক অপ্সরীর নরম দেহ। লজ্জাবনত ভাবে বসে পড়লাম। মাসীমা সঙ্গে সঙ্গে চা নিয়ে এসে যে গল্প শুরু করলো মনে মনে

Blog

মহালয়া/Mahalaya

📻  মহালয়া ✒️বাঙালির মহালয়ায় আগমনীর আগমনে মা দূর্গার চণ্ডীমন্ত্রজাগো দূর্গা চীৎকারে আকাশ কাঁপাতো  বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র।কি গরীব কি জমিদার দশটা গ্রাম খুঁজলে একটিও না পাবেরেডিও নাকি তার নামতাতে মহিষাসুর বধ হবে।অসুর নিধন হোক বা না হোক মহিষাসুরমর্দিণী শুনতে গ্রাম পাগলজগদীশ বাবু বোঝেনি তখনবানীকুমার বাজাবে ঢোল।গুগলিয়েলবো মার্কনিতার জোড়াজুড়ি করে দেখালোবিজ্ঞানী হেনরিক তার খুলেবেতার করে দিল।চাকুরীয়া মাইতি জেঠুগ্রামে প্রথম রেডিও আনেবাক্সের ভিতর লুকিয়ে রাখেলুকিয়ে খবর শোনে।সাত বছর বয়স তখন যন্ত্রেমানুষ কেমন কথা কয়আমার আগ্রহ শুধু যন্ত্রমানুষ ভেতরে মোটে

Blog

শৌলা/Soula

শৌলাকাঁথি আমার বসত বাটিমাঝে মধ্যে শৌলা যাই।মন টানে সাগর পানেপ্রানভরে আকাশসমুদ্র দেখতে পাই।মাত্র এগার কিমি পথপা সাইকেল বাইক হলে ।গাড়ী পারি সব পারিআরও ভালো টোটো পেলে।শৌলা থেকে দু কিমিসমুদ্রের কাছে যেতে।ভোরে সোনাঝরা সূর্যকিরণমোহময়ী চাঁদনী রাতে।জোয়ার জলে খাঁড়ি যখনছলছলাৎ করে।একা তখন বসে থাকিপ্রেমের বাঁশি শোনার তরে।সব কলঙ্ক ধুয়ে যায় পূর্ণিমায়চাঁদের আলো পড়লে জলে।আলো আঁধারে ওই দেখা যায়ডিঙ্গি গুলো চলছে হেলেদুলে।এই দৃশ্য কেউ দেখেনিকাউকে বলার দরকার নেই।এই পৃথিবী একা আমার সাগর আমারপ্রকৃতি কে বলে যাই।আঁধার যখন যায় টুটেযাই ছুটে বাঁকিপুটে।সুর্য আলো ফেলার আগেপৌঁছাতে হবে দীঘার তটে

Blog

, শিকার🖋Sikar

শিকারচল্লিশ বছর বয়স যখন কাজের সূত্রে বালিঘাইতে থাকি,সেবা করি গ্রামের মানুষের বন্ধু বলে সবাইকে ডাকি,মনের শান্তি চাকরীতে নয় দশ গাঁ আমায় চেনে,সেবায় আনন্দ, পড় আনপড় প্রতিটি মানুষ আমাকে জানে,ছোটোখাটো অসুখ বেসুখে বন্ধু দাদা পঙ্কজ ডাক্তার বাবু,দিতেন ওষুধ আমার পরিবারকে পয়সা দিতে হয়নি কভু,হেডমাস্টার খগেনদা বেজায় রসিক কথায় কথায় রস ঝরে,প্রায় দিন ঘর যেতেন না দড়ির খাটে শুতেন আমার ঘরে,রাতে স্বপ্ন দেখেন দড়ির খাটে স্বর্গারোহন করেন তিনি,নিমুদা আরেক প্রিয় বন্ধু কলেজ কর্মী সমাজসেবক ইনি,হঠাৎ একদিন রাতে খগেন দা বন্দুক হাতে ঢুকলো ঘরে,এক পাও নড়বে না কেউ কড়া সু্রে ফরমান জা