Blog

শুভ বিজয়া/Suva vijaya

💥 শুভ বিজয়া 💥শুভ বিজয়ায় মায়ের কাছে আবেদন,যারা তোমায় ডিজে বাজিয়ে দিচ্ছে বিসর্জন ।মাটির মূর্তি নিয়ে উন্মাদ নৃত্য করে,এরা মাকে জলে ডোবায় ,একবার প্রান পেয়ে জেগে ওঠো,উল্টে তাদের ডুবিয়ে দাও।রাজ্যটা চোরের আড়ৎ ,দূর্বলদের বাঁচতে দাও।এমন জাল বিছাও তুমি,মিথ্যা হিংসা ছেঁকে নাও।দুষ্টচক্র জেতে ভালোরা হারে,এবার মা সত্যকে জেতাও।মিথ্যা অতীত অন্ধবিশ্বাস ভুলতে দাও, সামনে সত্য দেখিয়ে দাও।অন্ধজনে দাও আলো দুষ্ট জনের, চোখের আলো কেড়ে নাও।আনন্দ থাক কষ্ট যাক জল হোক অমৃত ,পরিষ্কার কর মানুষের মন।বিজয়া শুভ হোক মা রাগ করো না,এই আমার আবেদন ও নিবেদন।    &nbs

Blog

মহানবমী/Mhanabami

‼️ মহা নবমী 🖊শৈশব থেকে বড় হওয়া সেই গরীব গ্রাম,মহানবমীতে গেলাম চলে দেখতে মন চাইল কেমন আছে গ্রাম।সব কিছু পাল্টে গেছে পুরোনো কেউ নেই,যারা আমার বন্ধু ছিল ধনী গরীব অনেকেই।যেতে পড়ে রাস্তার ধারে খগেনের বাড়ী,মহানবমীর কথা মনে হতেই ভাবলাম আজ মহানবমী তে খগেনের বাড়ী একবার ঢুকে পড়ি ।পুরোনো যা দেখেছিলাম তেমনই আছে জীর্ণশীর্ণ কুঁড়েঘর,খগেনের বাবা খুব গরীব ছিল দিন মজুরী করে চালাতো সংসার।খগেন আমি একসঙ্গে পড়াশুনা করেছি বন্ধুত্ব গভীর,গ্রাম আমার মা দূর্গা মায়ের কোলে কেটেছে অনেক বছর।পূজোর সময় মেলায় যেতাম আমি খগেন চম্পা,আমার কাকুর মেয়ে আমার চেয়ে ছোট নাম ছিল চম্পা।খগেন

Blog

ডঃ কেলুচরন মহাপাত্র/Dr.Kelucharan mahapatra

সৌভাগ্যক্রমে একদিন বন্ধুর বোনের মেয়ের সঙ্গে পৌঁছে গেলাম গুরু কেলু চরনের ভুবনেশ্বরের বাড়িতে। শ্রজন নামক এই বাড়িটি ওড়িশা সরকার নৃত‍্য শিক্ষার জন‍্যই তৈরী করেছিল। বন্ধুর বোনের মেয়ে নৃত্য শিক্ষা করতো এখানেই। কেলুচরনের স্ত্রী লক্ষীপ্রিয়া বেরিয়ে সহাস‍্যে বললেন "বস"কিন্তু বসবো কোথায়! পাঁচটি চেয়ারে পাঁচটি সুন্দরী বসে আছে,কোলে বসতে হবে!আমি বললাম "মাসিমা কোউ আড়ে বসিমী"মাসীমা বললেন"এবে আঁখির দেখুনি পরা,এ সবু ডিজাইন,বস।"বেতের তৈরী চেয়ারে যে গদি দেওয়া আছে নৃত্য সাজে সে যেন এক অপ্সরীর নরম দেহ। লজ্জাবনত ভাবে বসে পড়লাম। মাসীমা সঙ্গে সঙ্গে চা নিয়ে এসে যে গল্প শুরু করলো মনে মনে

Blog

মহালয়া/Mahalaya

📻  মহালয়া ✒️বাঙালির মহালয়ায় আগমনীর আগমনে মা দূর্গার চণ্ডীমন্ত্রজাগো দূর্গা চীৎকারে আকাশ কাঁপাতো  বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র।কি গরীব কি জমিদার দশটা গ্রাম খুঁজলে একটিও না পাবেরেডিও নাকি তার নামতাতে মহিষাসুর বধ হবে।অসুর নিধন হোক বা না হোক মহিষাসুরমর্দিণী শুনতে গ্রাম পাগলজগদীশ বাবু বোঝেনি তখনবানীকুমার বাজাবে ঢোল।গুগলিয়েলবো মার্কনিতার জোড়াজুড়ি করে দেখালোবিজ্ঞানী হেনরিক তার খুলেবেতার করে দিল।চাকুরীয়া মাইতি জেঠুগ্রামে প্রথম রেডিও আনেবাক্সের ভিতর লুকিয়ে রাখেলুকিয়ে খবর শোনে।সাত বছর বয়স তখন যন্ত্রেমানুষ কেমন কথা কয়আমার আগ্রহ শুধু যন্ত্রমানুষ ভেতরে মোটে

Blog

শৌলা/Soula

শৌলাকাঁথি আমার বসত বাটিমাঝে মধ্যে শৌলা যাই।মন টানে সাগর পানেপ্রানভরে আকাশসমুদ্র দেখতে পাই।মাত্র এগার কিমি পথপা সাইকেল বাইক হলে ।গাড়ী পারি সব পারিআরও ভালো টোটো পেলে।শৌলা থেকে দু কিমিসমুদ্রের কাছে যেতে।ভোরে সোনাঝরা সূর্যকিরণমোহময়ী চাঁদনী রাতে।জোয়ার জলে খাঁড়ি যখনছলছলাৎ করে।একা তখন বসে থাকিপ্রেমের বাঁশি শোনার তরে।সব কলঙ্ক ধুয়ে যায় পূর্ণিমায়চাঁদের আলো পড়লে জলে।আলো আঁধারে ওই দেখা যায়ডিঙ্গি গুলো চলছে হেলেদুলে।এই দৃশ্য কেউ দেখেনিকাউকে বলার দরকার নেই।এই পৃথিবী একা আমার সাগর আমারপ্রকৃতি কে বলে যাই।আঁধার যখন যায় টুটেযাই ছুটে বাঁকিপুটে।সুর্য আলো ফেলার আগেপৌঁছাতে হবে দীঘার তটে