Blog

তেডুবী মা মনসা মন্দির

মা মনসা হিন্দুধর্মের লৌকিক সর্পদেবী। কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটেছিল আমাদের মেদিনীপুরের অজ পাড়াগাঁ তেডুবি গ্রামে।আজ থেকে ৫০ বছর আগে লোকমুখে শোনা।তেডুবী পল্লী উন্নয়ন সংঘ মা মনসার মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন বাংলা  ১৩৮২ সালে।আমার যখন ২০ বছর বয়স ঠিক সেই সময় ওই গ্রামের এক পরিবার সাপে কাটা সাত বছরের এক সন্তানকে ওঝা দেখিয়ে বাঁচাতে না পারায় মনসা গাছের তলায় ফেলে রেখে গেছিল। পরের দিন সকালে সেই ছেলে ঘরে ফিরে আসে। অবাক গ্রামবাসী পরবর্তীকালে সেই পদ্ধতিতে সাপেকাটা রোগীকে ওই মনসাতলায় ফেলে দিয়ে গেলে নাকি জীবন ফিরে পায়।সেই থেকে গ্রাম গ্রামান্তরে জেলা এমনকি সারা রাজ্যে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে,

Blog

সুদীপ কে নিয়ে কবিতা

এই শুভ জন্মদিন আসবে চল্লিশ বারউঠুক ঝড় অন্তরে প্রানে- থামবে, খুলে যাবে দ্বার।কুঁড়ি মেলবে পাঁপড়ি আবার প্রতিদিন ভোরেআঁধারে উজ্জ্বল আলো দেবে সুদীপ স্বপ্নের ঘোরে।সারি সারি উড়ে যাবে বক ডাকবে কোকিল ডালেগরু ছাগল ছুটবে আনন্দ ধারা সবুজ ধান ক্ষেতের আলে।কালান্তরে এগার দিন কাল- অন্তর যোগফল শূন্যসব শুভদিন ছুঁবোনা চল্লিশের যেকটা হয় সুদীপের জন্য।অশান্ত প্রাণিকুল দাবদাহে জ্বলছে ভেতর অন্তরে বাইরেযেখানে যাই নাই নাই তপ্ত তরল খাল বিল নদী সাগরে।যাত্রাপথ শেষ হোক শুরু হোক তুমি থামবে না কোনদিনশুভেচ্ছা ও ভালোবাসা তোমার জন্য তুলে রাখি কোনদিন হবে না মলিন।।

Blog

কবিতা

কবি কবিরে কবি কহে সে নহে কবিসাধারণে যারে কহে সেই হয় কবিমানুষের মনের ব্যাথা যে বুঝাতে পারেসরল ভাষা -ছন্দ -মানে তবেই মানুষ বুঝতে পারেপ্রনাম জানাই তারে আমাদের বিশ্বকবিশিশু থেকে বৃদ্ধের অন্তরে এঁকেছেন জীবন ছবিমানুষ একবার পড়ে বুঝেছে সেই কবিদের ভাষাআধুনিক কবিতা শতবার পড়েও কেউ বুঝেনি সেই ভাষাহাল কবিদের কবিতায় কবিগন উল্লসিত হয়না পড়া না বোঝা এই কবিতা মানুষের জন্য নয়শ্রমিক কৃষক ফোর পাস তাদের জন্য কবিতা লিখবেনমাটির কবিতা লিখলে তবেই কবির সম্মান পাবেনবুদ্ধিজীবীর বুদ্ধি বেশী কবিতা পড়ে বলবে ভালোনাটকবাজি করে করেই নিজেই নিজেদের কবি হলোলোকে যাদের কবি বলে কবি সেই হয়কবি যাদের কবি

Blog

কবিতা-“পশ্চিম আকাশ”

পশ্চিম আকাশে একটি তারা হঠাৎ উঠলো জ্বলেপ্রতিবিম্বিত হবেনা কিরন কাল পুবের সাগর জলেস্মৃতি পুড়ে খাক নিরুদ্দেশ অতীত শ্মার গনগনে চিতায়আমি ভাববো কাল ভাবনা তুলে রাখি বড্ড যন্ত্রনা মাথায়।

Blog

নাটকের নাম—–** “অনেক বড় হবে”**

নাটকের নাম-----** "অনেক বড় হবে"**২০ বছর বয়সে লেখালেখির কাজ শুরু করেছিলাম। ছোট ছোট গল্প নাটক অনেক লিখেছি কিন্তু কোনো লেখাই আর ছাপার অক্ষরে দেখিনি।তবে বেতার জগৎ ম্যাগাজিনে দু একটি লেখা ও চিঠি ছেপেছে। বাবা সেই সময়ে কোলকাতা থেকে বাড়ী আসার সময় কোনোভাবে একটি বেতার জগৎ ঘরে এনেছিলেন। তখন মাসিক বা পাক্ষিক বেরোত। সম্ভবত পঞ্চাশ পয়সা বা আরো কম দাম ছিল। কোনোভাবে পয়সা মানি অর্ডার করে গ্রাহক হয়েছিলাম। গ্রামের পোস্ট অফিস তো আমার লেখা বেরোবে কবে পাবো! হা-হুতাশ করে থাকতাম।১৯৭২ সালে স্কুল পড়ুয়া হিসাবে কোনো বড় বড় লেখকের পাশে আমার নাম থাকবে একথা ভাবা আমার দুঃস্বপ্ন ছিল। বিভিন্ন পত্