“ক”
সুধাংশু রাউৎ
=কলির সকাল=পূব আকাশে সূর্য উঁকি দেওয়ার আগেই মধ্য গগনে একাদশীর একফালি চাঁদ ভেসে যাওয়া মেঘের আড়ালে লুকোচুরি খেলছিল। সকাল হয় হয় এরকম সময়ে আমরা তিন বন্ধু প্রাতঃভ্রমনে বেরিয়ে রোজকার মতো নিমতলায় বসেছি। আমি, পুলক ও কমল। কমল রাজনীতি বা দলীয় চিন্তা ভাবনায় থাকে, পুলক সবেতেই আছে আবার নেই, আমি গল্পবাজ নাটুকে ওদের সমর্থক। কমলকে একটু আনমনা দেখে আমি বললাম 'একটা গল্প বলি শোন, নিমগাছের গল্প'।খড়্গপুরের কাছাকাছি এক নিমপুরা গ্রাম। গ্রামের মাঝামাঝি রাস্তার ধারে প্রায় একশো বছর পুরনো একটি নিমগাছ। এই গ্রামের মানুষ প্রায় আদিবাসী বাদবাকী অন্য। একটি মাত্র ব্রাক্ষ্মণ পরিবার। গ্র
সুদীপের লেখা থেকে-31.08.2020 ।। চুপি চুপি কথা, শুনতে নেই।। গাড়িতে একটু ফাঁকা ফাঁকা বসা ভালো। এই সময়ে এটা মানা উচিত। তা ঠিক। তবে এইরকম যাওয়াতে যাকে বাদ দিয়ে ভাবা যায় না, বা বলা ভালো ভাবা যেত না, সেই অনিল দাস তো কোরোনা ছাড়াই হারিয়ে গেছে। কিংবা ওই যে অশ্বিনীদা। এক প্রাণোচ্ছল মানুষ তিনিও তো এই আছি এই নেই বলে হটাৎ এরকম এক অপরাহ্নে হারিয়ে গেল। তাই কাছে বসো আরে দূরে থাকো হারাতে আমাদের একদিন হবেই। গতকাল যাত্রার শুরুতে হয়তো একটু বিষাদ এবং কঠিন কথা হয়ে গেলেও থমকে গেল না গাড়ির চাকা।কাঁথি থেকে কুড়ি কিমি দূরে চোদ্দমাইল।রনেনের বাড়ি। ফ্লাক্সে চা করে দাঁড়িয়ে থাকতে বললাম। যাতে